IQNA

21:10 - August 22, 2019
সংবাদ: 2609120
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পঞ্চাশ বছর পূর্বে অস্ট্রেলিয়ান বংশোদ্ভূত চরমপন্থি এক ইহুদি মসজিদুল আকসায় আগুন লাগায় এবং তখন থেকে এখনও পর্যন্ত এই পবিত্র স্থানকে চরমপন্থি ইহুদিরা হামলার লক্ষ্যবস্তু করে রেখেছে।

বার্তা সংস্থা ইকনা’র রিপোর্ট: মুসলমানদের প্রথম ক্বিবলা মসজিদুল আকসা এবং সেখান থেকে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) মিরাজে গিয়েছেন। মুসলমানদের নিকট মক্কায় মসজিদুল হারাম এবং মদিনায় মসজিদ আন-নবী (সা.)এর পর একটি তৃতীয় পবিত্রতম স্থান।
ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা-ওআইসি ঘোষণা করেছে, বায়তুল মুকাদ্দাস হচ্ছে ফিলিস্তিনের স্থায়ী রাজধানী এবং চিরকালই তা ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবেই থাকবে। মুসলমানদের প্রথম ক্বিবলা ও তৃতীয় পবিত্রতম স্থান মসজিদুল আকসায় আগুন দেওয়ার বার্ষিকী উপলক্ষে এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এ কথা বলেছে।
ওআইসি'র বিবৃতিতে মসজিদুল আকসার বিরুদ্ধে ইহুদিবাদী ইসরাইলের নানা ষড়যন্ত্রের নিন্দা জানিয়ে আরও বলা হয়েছে, মসজিদে মুসলমানদের প্রবেশে বিভিন্ন বিধি-নিষেধ আরোপ করে রাখা হয়েছে এবং ইহুদি উপশহরবাসীরা সেখানে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
একইসঙ্গে মসজিদুল আকসার নীচে ও আশেপাশে খনন কাজ চালাচ্ছে দখলদারেরা। মসজিদুল আকসাকে ইহুদিকরণ এবং বায়তুল মুকাদ্দাস শহরের ভৌগলিক ও জনসংখ্যাগত কাঠামোতে পরিবর্তনের লক্ষ্যেই এসব তৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে ওআইসি মন্তব্য করেছে।
বিবৃতিতে ইসলাম এবং খ্রিস্টান ধর্মের পবিত্র স্থানগুলোর পবিত্রতা রক্ষার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
মুসলমানদের প্রথম কেবলা ও তৃতীয় পবিত্র স্থান আল আকসা মসজিদে ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট অগ্নিসংযোগ করে ইহুদিবাদীরা। এরপর গোটা বিশ্বে মুসলমানরা তীব্র প্রতিবাদ গড়ে তুললে অস্ট্রেলিয়ান বংশোদ্ভূত মাইক রোহান নামের এক ইহুদি পর্যটককে এ জন্য দায়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর লোকদেখানো বিচার শেষে রোহানকে একজন মানসিক রোগী হিসেবে ঘোষণা দিয়ে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। ওই ঘটনার ৫০ বছর পরও সেখানে ইহুদিবাদীদের অপরাধযজ্ঞ অব্যাহত রয়েছে।   iqna

নাম:
ই-মেল:
* আপনার মন্তব্য: