ইকনা সংস্থার ইরাক সংস্করণের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইমাম হুসাইন (আ.)-এর আরবাঈনের জিয়ারতকালে এই প্রকল্পে মোট ৮১ হাজারেরও বেশি জায়েরকে সেবা দেওয়া হয়। কারবালা প্রদেশসহ ইরাকের কয়েকটি প্রদেশে মোট ৯০টি স্টেশনে ৭৫০ জন পুরুষ ও নারী কুরআন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।
হুসাইনি আস্তানের দারুল কুরআনের প্রধান শায়খ খাইরুদ্দিন আল-হাদি বলেন, কুরআনী স্টেশনগুলোতে জায়েরদের ব্যাপক উপস্থিতি প্রমাণ করে যে এই প্রকল্প সফলভাবে কুরআনের বাণী জায়েরদের কাছে পৌঁছে দিতে পেরেছে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা সাত দিনব্যাপী অক্লান্ত পরিশ্রম করে কুরআনী ও শিক্ষামূলক সেবা প্রদান করেছেন। এর ফলে জায়েরদের কিরাত সংশোধন এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়তা হয়েছে।
শায়খ আল-হাদি জানান, এই প্রকল্পে ব্যাপক পরিসরের কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর মধ্যে রয়েছে সাতটি আন্তর্জাতিক কুরআনী মাহফিল এবং ৪৭টি অভ্যন্তরীণ কুরআনী মাহফিল। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি ২৩টি প্রতিযোগিতা ও সেমিনার এবং বিভিন্ন কুরআনী ও ধর্মীয় বিষয়ে ৮২টি সচেতনতামূলক বক্তৃতা আয়োজন করে। জায়েরদের মধ্যে ২৫ হাজারেরও বেশি পবিত্র উপহারও বিতরণ করা হয়।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই প্রকল্পের বার্ষিক সাফল্য ভবিষ্যতের উপলক্ষগুলোতে সেবা আরও সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের অনুপ্রেরণা যোগাবে এবং হুসাইনি জায়েরদের জন্য কুরআনী কর্মসূচি আরও জোরদার করবে।
শায়খ আল-হাদি শেষে স্মরণ করিয়ে দেন, এই প্রকল্প হুসাইনি পবিত্র আস্তানের সেই মিশনেরই প্রতিফলন, যার লক্ষ্য কুরআনী সংস্কৃতি প্রসার এবং সমাজে তার মূল্যবোধগুলোকে সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করা। 4368544