
এটি শুধু কুরআন হিফজের কেন্দ্র নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠান যেখানে শিশু-কিশোরীদের ইসলামী আদর্শ, নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। মাত্র ৭ বছর আগে ৩ জন কুরআন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছিল—আজ এখানে শত শত মেয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে, যারা কিন্ডারগার্টেন থেকে উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত পড়াশোনা করে। এরা কুরআনের সঙ্গে ইসলামী সংস্কৃতির গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলছে এবং ইউরোপের বিভিন্ন প্রান্তে ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করার যোগ্যতা অর্জন করছে।
রমজান মাসে এই মাদরাসা প্রতি বছর একটি বার্ষিক সম্মেলন আয়োজন করে, যেখানে কেন্দ্রের কুরআনী মিশন ও সমাজে এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়।
পড়াশোনার ধাপগুলো শুরু হয় আরবি হরফ শেখানো থেকে, তারপর সঠিক তাজবীদ ও কিরাতের নিয়ম, এরপর আয়াত হিফজ, পুনরাবৃত্তি ও স্থায়ীকরণ।
২০২৪ সালের গ্রীষ্মকালীন স্কুলে ২২০ জনের বেশি মেয়ে শিক্ষার্থী সশরীরে অংশ নিয়েছে এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী শত শত আলবেনিয়ান বংশোদ্ভূত শিশু অনলাইনে শিক্ষা গ্রহণ করেছে।
এই মাদরাসার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন দুই হাফিজা বোন—রিনিতা নিতাই ও ফাতিমা নিতাই।
এই প্রতিষ্ঠান ইউরোপের মুসলিম সমাজে ইসলামী পরিচয় ও জাতীয় সংস্কৃতির সুন্দর সমন্বয়ের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ এবং মুসলিম নারীদের সফল প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষমতার প্রমাণ।