
যুসুফ আবু বকর জানান, অপুষ্টির হার গত বছরের তুলনায় ৮ শতাংশ বেড়েছে এবং এই শিশুরাই সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছে। এক বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে রক্তশূন্যতার হার ৮১ শতাংশ। অপুষ্টি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
এদিকে, জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (আনরোয়া) জানিয়েছে, পানির তীব্র সংকট ও জনসংখ্যার অতিরিক্ত চাপের কারণে গাজায় চর্মরোগ তিনগুণ বেড়েছে। শিশুদের মধ্যে চুলকানি (জর্দ) ও জলবসন্তের মতো রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।
আনরোয়া সতর্ক করে বলেছে, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রবেশে বাধা দেওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে। ফলে পরিবারগুলো শিশুদের চিকিৎসায় ঘরোয়া পদ্ধতির ওপর নির্ভর করছে, যা সংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।
জাতিসংঘ আরও জানিয়েছে, অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত শিবিরগুলোতে মাত্র দুই মাসে চর্মরোগে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার থেকে ১০ হাজারে উন্নীত হয়েছে। খান ইউনিসে ২ লাখের বেশি তাঁবুর মধ্যে মাত্র ৫০ হাজার তাঁবু জীবাণুমুক্ত করা হয়েছে। আবর্জনার স্তূপ রোগ ছড়ানোর অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 4350736#