আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নাইজেরিয়ায় শিয়াদের হত্যার করার জন্য সৌদি আরব নাইজেরিয়ান সেনাদের আর্থিক সহায়তা করেছে বলে অভিযুক্ত করেছেন সেদেশের শিয়া আলেম ও ইসলামি আন্দোলনের নেতা আল্লামা শেখ ইব্রাহিম জাকজাকি।

বার্তা সংস্থা ইকনা: ২০১৫ সালের ডিসেম্বর থেকে নাইজেরিয়ার শিয়া নেতা আল্লামা শেখ জাকিজাকি কারাগারে রয়েছেন, এখন তার বিরুদ্ধে নতুন ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
১৮ই এপ্রিল কাদুনা রাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি খালেদ, শেখ জাকজাকি ও ইসলামী আন্দোলনের তিন নেতার বিরুদ্ধে নতুন ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করেছে।
আল্লামা শেখ ইব্রাহিম জাকজাকি টেলিফোনে তার ছেলেকে বলেন: আমেরিকা ও ইংল্যান্ডের পক্ষ থেকে সৌদি আরব নাইজেরিয়ান সেনাদের আর্থিক সহায়তা করে জারিয়া শহরে বসবাসরত শিয়াদের হত্যা করার জন্য উৎসাহিত করছে।
তিনি সেদেশের হুকুমতের সমালোচনা করে শেখ ইব্রাহিম জাকজাকি বলেন: কোন নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলা যাচ্ছে না। যখন তোমাকে বন্দি করেছে এবং বন্দি করার ব্যাপারে কোন দলীল উপস্থাপন করছে না; তখন কি তাদের সাথে কথা বলা যায়?
তিনি বলেন: চার বছর আগে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি, তা কখনোই পরিবর্তন করব না।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ইসলামি আন্দোলনের সমর্থক ও নাইজেরিয়ার সেনাবাহিনীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর প্রখ্যাত শিয়া আলেম ইব্রাহিম জাকজাকি ও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়। কাদুনা রাজ্যের জারিয়া শহরের ওই সংঘর্ষের ফলে শেখ ইব্রাহিম জাকজাকির অনেক সমর্থক আহত ও নিহত হন। জাকজাকি মারাত্মক আহত হন এবং সেনাবাহিনী তার বাড়িটি ধ্বংস করে দেয়। তার মেয়ে সোহেলা আল-জাকজাকি বলেন: "আমার বাবা চোখের রোগে ভুগছেন এবং গ্লুকোমা রোগের কারণে তার অবস্থার প্রতিনিয়ত অবনতিতে যাচ্ছে।
iqna