IQNA

কুরানের দৃষ্টিকোণ থেকে স্বপ্ন ও জাগরণের মধ্যে চমৎকার সংযোগ

22:33 - September 26, 2022
সংবাদ: 3472537
কুরানের দৃষ্টিকোণ থেকে স্বপ্ন ও জাগরণের মধ্যে চমৎকার সংযোগ
তেহরান (ইকনা): পবিত্র কুরআন স্বপ্ন দেখার বাস্তবতা এবং এর প্রভাবকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বর্ণময় বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করেছে এবং নবী (সা.)ও স্বপ্নের বিষয়বস্তু এবং পারিপার্শ্বিক বিষয়ের গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছেন।
রাসুল (সা:) এর বাণী অনুসারে, "স্বপ্ন দেখা তিন প্রকার: আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ, শয়তানের দ্বারা সৃষ্ট দুঃখ এবং একজন ব্যক্তির আত্মার সাথে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা যা সে স্বপ্নে দেখে"। কিন্তু কোন স্বপ্ন ঈমানদার বা বিশ্বাসীর জন্য মহান আল্লাহর পক্ষ হতে সুসংবাদ নিয়ে আসে?
সূরা ইউনুসের ৬৪ নম্বর আয়াত সম্পর্কে মহানবী (সা.) বলেন: 
لَهُمُ الْبُشْرَى فِي الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ
তাদের জন্যই ইহকালের জীবনে এবং পরকালের সুসংবাদ রয়েছে।
তারা দুনিয়া ও আখিরাতের জীবনে সুখী”, তিনি বলেন: এই সুসংবাদ হল একটি ভালো স্বপ্ন যা একজন মুমিন দেখে এবং এর মাধ্যমে তার দুনিয়ায় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। একই আয়াত সম্পর্কে নবীর আরেকটি বর্ণনায় বলা হয়েছে: সেই সুসংবাদ হল একটি সত্য স্বপ্ন যা একজন মুমিন বা অন্য কেউ তার জন্য দেখে; মহানবী (সা.) একটি সত্য স্বপ্ন সম্পর্কে আরও বলেন: একটি সত্য স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি প্রতিশ্রুতি এবং নবুওয়াতের একটি অংশ।
মহানবী (সা.)এর বাণী হতে সত্যিকারের স্বপ্নে বিশ্বাস করার গুরুত্ব
স্বপ্নের বিষয়বস্তু এবং তাদের আশেপাশের বিষয়গুলো এতই গুরুত্বপূর্ণ যে, আল্লাহর রাসূল (সা.) এ সম্পর্কে বলেছেন:
من لم یؤمن بالرؤیا الصادقه فانه لم یؤمن بالله و رسوله
যে ব্যক্তি রুইয়্যাতিস সাদিক অর্থাৎ সত্য স্বপ্নকে বিশ্বাস করে না, সে আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুল (সা.)-কে বিশ্বাস করেনি।
পবিত্র কুরআনে স্বপ্ন দেখার বাস্তবতা এবং এর প্রভাবকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বর্ণময় বিষয় হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থানে এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। পবিত্র কুরআনে, মানুষের স্বপ্ন সম্পর্কে অনেক আয়াত রয়েছে - যেমন নবী, রাজা এবং সাধারণ মানুষ - যা বিষয়ের গুরুত্ব এবং ব্যক্তি ও সমাজের জীবনের সাথে এই স্বপ্নের সরাসরি সংযোগ দেখায়।
 
captcha