
“শত্রু যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিন থেকে এখন পর্যন্ত একের পর এক ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছে, কিন্তু ইরানের জনগণ প্রতিবারই তা ব্যর্থ করে দিয়েছে।”
তিনি বিস্তারিত বলেন: প্রথমে তারা নেতা ও সামরিক কমান্ডারদের হত্যা করে তিন দিনের মধ্যে ব্যবস্থা উৎখাত করতে চেয়েছিল। ব্যর্থ হয়ে তারা দেশের আক্রমণাত্মক ক্ষমতা ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু দেখেছে যে, আমাদের মিসাইল ও ড্রোনের আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে।
তারপর তারা ‘ভেনেজুয়েলাকরণ’ ও দেশের পশ্চিমাঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সক্রিয় করার চেষ্টা করেছে। সবই ব্যর্থ হয়েছে। সবশেষে তারা ‘চারশে সুরি’তে অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করেছিল, কিন্তু ইরানের জনগণ একযোগে তাদেরকে বড় ধাক্কা দিয়েছে।
কালিবাফ বলেন:“এখন শত্রু নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। তারা নৌ-অবরোধ, মিডিয়া প্রচারণা, অর্থনৈতিক চাপ এবং অভ্যন্তরীণ বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে আমাদেরকে অভ্যন্তর থেকে দুর্বল করে ফেলতে চায়। ট্রাম্পের বক্তব্যই এর স্পষ্ট প্রমাণ—তিনি দেশকে ‘চরমপন্থী’ ও ‘মধ্যপন্থী’তে ভাগ করে তারপর অবরোধের কথা বলছেন। তাদের লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক চাপ ও অভ্যন্তরীণ বিভেদের মাধ্যমে ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন:“এই নতুন ষড়যন্ত্রের একমাত্র প্রতিরোধ হলো জাতীয় ঐক্য ও সংহতি রক্ষা করা। প্রথম দিন থেকে আজ পর্যন্ত ঐক্যই শত্রুর সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চাবিকাঠি। যেকোনো বিভেদ সৃষ্টির কাজ শত্রুর নতুন পরিকল্পনারই অংশ।”
কালিবাফ শেষে বলেন:“আমি যেহেতু এই ময়দানের মাঝখানে আছি, তাই দেশবাসীকে বলছি—আমরা সকল কর্মকর্তা নেতার নির্দেশের অধীন। আমাদের ঐক্যের কেন্দ্রবিন্দু হলো নেতার নির্দেশ। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি যে, আমরা সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে পূর্ণ ঐক্য নিয়ে কাজ করছি।
আমি ইরানের জনগণকে চিনি। আপনারা আল্লাহর অনুগ্রহে শত্রুর এই প্রতারণামূলক ষড়যন্ত্রও ব্যর্থ করে দেবেন এবং আমরা এই যুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করব।” 4349468#