‘ওয়াসাল’ ওয়েবসাইটের বরাত দিয়ে জানা যায়, কর্তৃপক্ষ এই ধর্মীয় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলার ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামবিদ্বেষী হামলার উদ্বেগজনক বৃদ্ধির প্রতি নতুন করে আলোকপাত করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ৪৮ বছর বয়সী পিটার মাইকেল লার্সেন নামের সন্দেহভাজন ব্যক্তি ‘ভ্যালি ফেয়ার’ শপিং মলে হামলার কয়েক মিনিট পর গ্রেপ্তার হয়। কয়েকজন ক্রেতা তাকে নিয়ন্ত্রণে আনে এবং পুলিশ আসা পর্যন্ত আটকে রাখে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সন্দেহভাজনের দেওয়া স্বীকারোক্তিকে পুলিশ “অত্যন্ত উদ্বেগজনক” বলে বর্ণনা করেছে। সে স্বীকার করেছে যে, ধর্মের কারণে (ইসলাম) সে ইচ্ছাকৃতভাবে ওই মুসলিম ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে হামলা করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদকারীদের স্পষ্টভাবে বলেছে, “সে মুসলমানদের হত্যা করতে চায়”। এতে করে তদন্তকারীরা এই ঘটনাকে একটি সাধারণ হামলার চেয়ে অনেক বড় ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক অপরাধ হিসেবে দেখছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, তার আচরণ, চরমপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি এবং পূর্বপরিকল্পিত আক্রমণের প্রমাণ দেখে প্রাথমিক মূল্যায়নে তাকে সমাজের জন্য “গুরুতর হুমকি” বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুসারে, আক্রান্ত ব্যক্তি শপিং মলের একটি কিয়স্কে কর্মরত ছিলেন। হামলাকারী তার কাছে এসে নাম ও ধর্ম জিজ্ঞাসা করে এবং এক বোতল পানি চায়। যখন ভিকটিম পানি আনতে যান, তখনই হামলাকারী তাঁকে ছুরিকাঘাত শুরু করে।
ইউটা ইসলামিক সেন্টারের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তি প্রায় ১৫টি ছুরিকাঘাতের শিকার হয়েছেন এবং তার একাধিক অস্ত্রোপচার ও ব্যাপক চিকিৎসার প্রয়োজন। তার এক বন্ধু সাহায্যের জন্য অনলাইনে ফান্ডরেইজিং শুরু করেছেন।
ইকনা’র প্রতিবেদন: যুক্তরাষ্ট্রের ইউটা অঙ্গরাজ্যে এক মুসলিম নাগরিকের উপর ছুরিকাঘাতের ঘটনায় হামলাকারী স্বীকার করেছে যে, সে মুসলমানদের হত্যা করতে চায়।
‘ওয়াসাল’ ওয়েবসাইটের বরাত দিয়ে জানা যায়, কর্তৃপক্ষ এই ধর্মীয় উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলার ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামবিদ্বেষী হামলার উদ্বেগজনক বৃদ্ধির প্রতি নতুন করে আলোকপাত করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ৪৮ বছর বয়সী পিটার মাইকেল লার্সেন নামের সন্দেহভাজন ব্যক্তি ‘ভ্যালি ফেয়ার’ শপিং মলে হামলার কয়েক মিনিট পর গ্রেপ্তার হয়। কয়েকজন ক্রেতা তাকে নিয়ন্ত্রণে আনে এবং পুলিশ আসা পর্যন্ত আটকে রাখে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সন্দেহভাজনের দেওয়া স্বীকারোক্তিকে পুলিশ “অত্যন্ত উদ্বেগজনক” বলে বর্ণনা করেছে। সে স্বীকার করেছে যে, ধর্মের কারণে (ইসলাম) সে ইচ্ছাকৃতভাবে ওই মুসলিম ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে হামলা করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদকারীদের স্পষ্টভাবে বলেছে, “সে মুসলমানদের হত্যা করতে চায়”। এতে করে তদন্তকারীরা এই ঘটনাকে একটি সাধারণ হামলার চেয়ে অনেক বড় ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক অপরাধ হিসেবে দেখছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, তার আচরণ, চরমপন্থী দৃষ্টিভঙ্গি এবং পূর্বপরিকল্পিত আক্রমণের প্রমাণ দেখে প্রাথমিক মূল্যায়নে তাকে সমাজের জন্য “গুরুতর হুমকি” বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুসারে, আক্রান্ত ব্যক্তি শপিং মলের একটি কিয়স্কে কর্মরত ছিলেন। হামলাকারী তার কাছে এসে নাম ও ধর্ম জিজ্ঞাসা করে এবং এক বোতল পানি চায়। যখন ভিকটিম পানি আনতে যান, তখনই হামলাকারী তাঁকে ছুরিকাঘাত শুরু করে।
ইউটা ইসলামিক সেন্টারের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তি প্রায় ১৫টি ছুরিকাঘাতের শিকার হয়েছেন এবং তার একাধিক অস্ত্রোপচার ও ব্যাপক চিকিৎসার প্রয়োজন। তার এক বন্ধু সাহায্যের জন্য অনলাইনে ফান্ডরেইজিং শুরু করেছেন। 4364395