আনাদোলু এজেন্সির বরাত দিয়ে জানা যায়, ৩০ বছর বয়সী সুজুদ ফাকহা (দুই সন্তানের মা) হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য আম্বুলেন্স ডাকা হয়। কিন্তু ইসরাইলি সেনাবাহিনীর চেকপয়েন্টে আম্বুলেন্সকে ৩০ মিনিটেরও বেশি সময় আটকে রাখা হয়।
সাঞ্জিল গ্রামের মেয়র মুতাজ তাওয়াফশা একটি ভিডিও বার্তায় বলেন, “আম্বুলেন্সটি সুজুদকে নিয়ে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল, কিন্তু সামরিক চেকপয়েন্টে ৩০ মিনিটেরও বেশি অপেক্ষা করতে হয়। এই ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে প্রতি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই লৌহদ্বার ও সামরিক বাধা কতদিন আর নিরীহ মানুষের জীবন কেড়ে নেবে?”
ভিডিওতে দেখা যায়, আম্বুলেন্সটি লৌহদ্বারের সামনে অপেক্ষা করছে এবং চিকিৎসাকর্মীরা দ্রুত দ্বার খুলে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছেন যাতে রোগীর জীবন বাঁচানো যায়।
সাঞ্জিল গ্রামটি ইসরাইলি সামরিক নিয়ন্ত্রণ ও চলাচলের কঠোর বিধিনিষেধের কারণে বারবার ইসরাইলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের হামলার শিকার হয়েছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ক্রান্তে বাখতারিতে ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ব্যাপকভাবে বেড়েছে।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, অক্টোবর ২০২৩ থেকে এখন পর্যন্ত ক্রান্তে বাখতারিতে অন্তত ১,১৮১ জন ফিলিস্তিনি ইসরাইলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের হাতে শহীদ হয়েছেন। 4364797#