
ইকনা জানায়, ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে দাবি করে, ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পর আঞ্চলিক উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে সৌদি আরব ইরানের সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে অ-আগ্রাসন চুক্তির প্রস্তাব করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কূটনীতিক সূত্র জানিয়েছে, রিয়াদ ১৯৭০-এর দশকের হেলসিঙ্কি প্রক্রিয়াকে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা কমানোর সম্ভাব্য মডেল হিসেবে দেখছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের জবাবে ‘ওয়াদে সাদেক ৪’ অভিযান চালিয়ে অধিকৃত ফিলিস্তিন ও পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে।
তেহরান বারবার সতর্ক করে দিয়েছিল যে, প্রতিবেশী দেশগুলোর ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহার করে ইরানে হামলা চালানো হলে তার প্রতিক্রিয়া হবে। কিন্তু ৪০ দিনের যুদ্ধে প্রতিবেশী দেশগুলোর আকাশসীমা ব্যবহার করে একাধিক হামলা চালানো হয়। ইরান বারবার প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছে এবং শুধু মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করার কথা জানিয়েছে।
ইরানের জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডানের কাছে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
রয়টার্স মঙ্গলবার দুই পশ্চিমা ও দুই ইরানি কর্মকর্তার বরাতে দাবি করেছে, সৌদি আরব ইরানের বিরুদ্ধে একাধিক হামলা চালিয়েছে, যা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।
এখন পর্যন্ত ইরান বা সৌদি আরব কোনো পক্ষই এ প্রতিবেদনে প্রতিক্রিয়া জানায়নি। 4352211