IQNA

জাতিসংঘের মহাসচিবের দপ্তরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল ইসরায়েল

14:50 - May 29, 2026
সংবাদ: 3479235
ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাতিসংঘের মহাসচিবের দপ্তরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।

ইকনা রিপোর্ট: ফিলিস্তিনি সংবাদ সংস্থা ‘মা‘আ’র বরাত দিয়ে ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “আমরা জাতিসংঘের মহাসচিবের দপ্তরের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

মন্ত্রণালয় আরও জানায়, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কারণ জাতিসংঘের প্রতিবেদনে সংঘাতে যৌন সহিংসতার বিষয়ে ইসরায়েলি সংস্থাগুলোকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে অভিযোগ করে বলেছে যে, তিনি সাম্প্রতিক মাসগুলোতে জাতিসংঘের মহাসচিব হিসেবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলার জন্য তার পদের অপব্যবহার করছেন।

এর আগে ইসরায়েলি গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল যে, জাতিসংঘ আবারও ইসরায়েলের নামকে সেই কালো তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে, যেখানে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় যৌন সহিংসতায় জড়িত দেশ ও সংগঠনগুলোর নাম থাকে।

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ড্যানি দানোন এই পদক্ষেপকে একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বলে অভিহিত করেছেন এবং দাবি করেছেন যে, ইসরায়েল প্রত্যেক অভিযোগের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রমাণ, দলিল ও জবাব দিয়েছে।

ইসরায়েলি সংবাদপত্র ‘ইদিওত আহারোনোত’ লিখেছে, ইসরায়েলের দাবি অনুসারে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস এই কালো তালিকায় ইসরায়েলের নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য চাপের মুখে পড়েছেন।

এই কালো তালিকা জাতিসংঘ মহাসচিবের বার্ষিক প্রতিবেদনের একটি অংশ, যার শিরোনাম ‘সংঘাত-সম্পর্কিত যৌন সহিংসতা’। এটি সাধারণত আগস্ট মাসে (মধ্য-শ্রাবণ/ভাদ্র) প্রকাশিত হয় এবং সংশ্লিষ্ট দেশ বা সংগঠনগুলো অন্তত এক বছর এই তালিকায় থাকে। গত বছর এই তালিকায় মোট ৬৩টি সরকারি ও অসরকারি সংগঠন অন্তর্ভুক্ত ছিল।

গত মাসে একটি আইনি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ইসরায়েলি সেনারা পশ্চিম তীরের দখলকৃত এলাকায় ফিলিস্তিনিদের জমি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করার জন্য যৌন সহিংসতাকে একটি লক্ষ্যপ্রণোদিত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। 4354849#

captcha