
কুরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা’র রিপোর্ট: কাশ্মীরে ইমাম মুসা কাযিম (আ.) এর যুগের অন্তর্গত হস্ত লিখিত পবিত্র কুরআন শরিফ রয়েছে। এই মূল্যবান কুরআন শরীফটি প্রতি বছর একবার জনসাধারণের দর্শনের জন্য প্রদর্শন করা হয়। প্রতি বছর আরবাইন তথা ইমাম হুসাইন (আ.)এর চল্লিশার দিনে (২০শে সফর) জনসাধারণের দর্শনের জন্য প্রদর্শন করা হয়। উক্ত পবিত্র কুরআন শরিফটি প্রায় ১৩০০ বছর পূর্বের এবং ১৭৩ হিজরির প্রথম দিকের। বাগদাদে হারুন আর রশিদের খেলাফত কালে অত্যাচারী শাসক, ইমাম মুসা কাযিম (আ.)কে জেলে বন্দী করে রাখে। জেলে বন্দী থাকা অবস্থায় সপ্তম ইমাম [ইমাম মুসা কাযিম (আ.)] এর নিকট এই কুরআন শরীফটি ছিল। কাশ্মীরের স্থানীয় অধিবাসী জানিয়েছেন: এই মূল্যবান কুরআন শরীফটি প্রায় ৫০০ বছর পূর্বে ইমাম মুসা কাযিম (আ.) এর বংশধর ‘স্যায়েদ সুলতান হায়দার মুসাভি, আরদেবিল শহর থেকে কাশ্মীরে নিয়ে আসেন। উক্ত মূল্যবান কুরআন শরীফটি ১৩০০ বছর পুরাতন হলেও কোন রকম সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াই এর কালি এবং পৃষ্ঠাগুলো এখনও অক্ষত রয়েছে।
পবিত্র কুরআন শরিফটি কাশ্মীরের বাবে জাওয়াদ নামক মাযারে সুরক্ষিত রয়েছে। বাবে জাওয়াদ মাযারের পরিচালক জানিয়েছে: উক্ত মাযারে ১৯৯৯ সালে সর্বস্থানে আগুন লাগে। কিন্তু এই কুরআন শরিফের কোন প্রকার ক্ষতি সাধন হয়নি।