ইকনা প্রতিবেদন অনুসারে, সৌদি আরবের দৈনিক সংবাদপত্র ‘উকাজ’-এর বরাতে জানা গেছে, এসব প্রযুক্তি একটি সমন্বিত নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার অংশ, যার লক্ষ্য প্রতি বছর পবিত্র স্থানগুলোতে সমবেত হওয়া লাখ লাখ হাজীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি কর্তৃপক্ষ হজের নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ড্রোন ব্যবহার করবে। এছাড়া ফিক্সড-উইং এয়ারক্রাফট (ডানাযুক্ত উড়োজাহাজ) পবিত্র স্থানগুলোতে অননুমোদিত প্রবেশ রোধে নজরদারি করবে।
সংবাদপত্রটি লিখেছে, ড্রোনগুলো নিরাপত্তা বাহিনীকে বিস্তীর্ণ এলাকা দ্রুত ও কার্যকরভাবে পর্যবেক্ষণে সহায়তা করবে এবং মাঠ পর্যায়ের টিমগুলোকে সন্দেহজনক চলাচল ও অনুপ্রবেশের চেষ্টা সম্পর্কে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা পাঠাবে।
এই ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে: স্মার্ট নজরদারি নেটওয়ার্ক, উচ্চ রেজোলিউশনের ক্যামেরা এবং থার্মাল ইমেজিং ডিভাইস।
কর্তৃপক্ষ জনসমাগমের পূর্বাভাস দিতে এবং ভিড় এড়াতে এআই-ভিত্তিক জনসমাগম বিশ্লেষণ ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করবে। এছাড়া হাজীদের শনাক্তকরণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে ফেসিয়াল রেকগনিশন (মুখ শনাক্তকরণ) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে হজ ২০২৬ আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। 4353670#