
ইকনা প্রতিবেদন অনুসারে, লেবাননের আল-মানার টেলিভিশন জানিয়েছে, গত কয়েক ঘণ্টায় ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলো মাইফাদুন, মাজদাল জুন, দাবাল, জুবকিন, আল-মানসুরি, আন-নাবাতিয়াহ, ফারুন, তাবনিন, হারিস, বারাশিত, সারিফা, বুর্জ রাহাল, আন-নাবাতিয়াহ আল-ফাওকা, আল-মারওয়ানিয়াহ, জুতর আশ-শারকি, জুইয়া ও তুলিনসহ বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে।
এছাড়া ইসরাইলি ড্রোনগুলো দেইর কানুন আন-নাহর শহরে আক্রমণ চালিয়ে ইসলামি রিসালাহ সোসাইটির একটি উদ্ধারকারী টিমকে লক্ষ্য করে। এতে দুজন উদ্ধারকর্মী শহীদ হয়েছেন। ড্রোনগুলো নাবাতিয়াহ, আইন বা'ল ও তাবনিন এলাকাতেও বোমাবর্ষণ করেছে।
একইসঙ্গে ইসরাইলি তোপের গোলা আল-কুলাইলাহ, আল-হানিয়াহ, হারিস, কাফর তাবনিত, তুলিন, কাবরিখা, আস-সাওয়ানাহ, জুতর আশ-শারকি, নাবাতিয়াহ আল-ফাওকা, কা'কাইয়াহ আল-জিসর ও আদশিত এলাকায় তীব্র গোলাবর্ষণ করেছে।
হিজবুল্লাহর কঠোর প্রতিরোধ
এর জবাবে ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী হিজবুল্লাহ শুক্রবার (২ জুন) ইসরাইলি বাহিনীর অবস্থান ও সরঞ্জামের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে।
প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন এবং দক্ষিণ লেবাননের বেসামরিক নাগরিকদের ওপর অব্যাহত আগ্রাসনের জবাবে প্রতিরোধ যোদ্ধারা ইসরাইলি সেনাদের একাধিক ঘাঁটি, সেনা সমাবেশ ও সামরিক সরঞ্জাম লক্ষ্য করে আত্মঘাতী ড্রোন, ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট হামলা চালিয়েছে।
উল্লেখযোগ্য অভিযানের মধ্যে রয়েছে: বিরানিত ঘাঁটিতে আয়রন ডোম প্ল্যাটফর্ম লক্ষ্য করে হামলা, মিসকাফ আমে ইসরাইলি সেনাদের সমাবেশে আক্রমণ, মারকাবায় মেরকাভা ট্যাঙ্কে আঘাত, আল-বিয়াদায় নতুন স্থাপিত ইসরাইলি কমান্ড সেন্টারে হামলা, আন-নাকুরায় মোতায়েনকৃত বাহিনী আক্রমণ ও মারুন আর-রাসে ড্রোন হামলা।
হিজবুল্লাহ জোর দিয়ে বলেছে, এসব অভিযান লেবানন ও তার জনগণের প্রতিরক্ষায় এবং ইসরাইলি আগ্রাসনের জবাবে পরিচালিত হয়েছে। কয়েকটি হামলায় সরাসরি আঘাত হয়েছে এবং শত্রুপক্ষের মধ্যে নিশ্চিত হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।4353733#