
ইকনা প্রতিবেদন অনুসারে, হিব্রু ভাষার সংবাদপত্র ইদিয়োত আহারোনোত জানিয়েছে, স্যাটেলাইট ছবিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বিমানঘাঁটি রামাত দাভিদ-এ দুটি স্থানে ক্ষতির চিহ্ন স্পষ্টভাবে দেখা গেছে।
আল-আরাবি চ্যানেলের বরাতে জানা গেছে, ছবিগুলোতে আরও দেখা গেছে যে, সাফেদের কাছে ইউনিট ৮২০০ (বিশেষ মিশন ইউনিট)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ঘাঁটি এবং নেগেভ মরুভূমির নেভাতিম বিমানঘাঁটিতেও সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হয়েছে।
এছাড়া, গত ১০ মার্চ হিজবুল্লাহ যে ড্রোন হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছিল, সেই দিন শামশোন সামরিক ঘাঁটিতে ব্যাপক আগুন লাগার ছবিও স্যাটেলাইটে ধরা পড়েছে।
ইদিয়োত আহারোনোতের মূল্যায়ন অনুসারে, বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ভিন্ন ভিন্ন।
বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতি: রামাত দাভিদ বিমানঘাঁটি (ইসরাইলি বিমানবাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি): দুটি স্থান আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। প্রথমটি লজিস্টিক্স, যানবাহন ও সাপোর্ট বিভাগে, দ্বিতীয়টি জ্বালানি সরবরাহ ও যুদ্ধবিমানের রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্রে।
এছাড়াও নেভাতিম বিমানঘাঁটি: এখানকার ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা রামাত দাভিদের তুলনায় কম বলে মূল্যায়ন করা হয়েছে। সাফেদের কাছে ইউনিট ৮২০০ গোয়েন্দা ঘাঁটির আশপাশে মাটির স্ট্রাকচারে পরিবর্তন দেখা গেছে, যা আঘাতের ইঙ্গিত দেয়। শামশোন ঘাঁটি: ১০ মার্চ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলার পর কয়েকদিন ধরে ব্যাপক আগুন জ্বলতে দেখা গেছে।
আল-আরাবি চ্যানেলের জেরুজালেম প্রতিনিধি বলেছেন, স্যাটেলাইট ছবিতে এত বড় ধ্বংসযজ্ঞ স্পষ্টভাবে দেখা যাওয়ায় প্রমাণিত হয় যে, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, আরও কয়েকটি সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তবে ইসরাইলি সামরিক সেন্সরশিপ এ বিষয়ে আরও তথ্য প্রকাশে বাধা দিচ্ছে। 4353622#