
কুরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা’র রিপোর্ট: আব্দুল লতিফ মঙ্গলবার (১৭ই ফেব্রুয়ারি) ফ্রান্সের Ladpsh সংবাদ পত্রের সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে বলেন, ইবাদতের জন্য ফ্রান্সের মুসলমানদের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। মুসলমানেরা যেখানে জামাত সহকারে নামাজ আদায় করে সেখানে বর্ণবাদদের হামলার আশংকা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত ২৫ বছরে টুলূজ শহরে মসজিদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়নি। গত ২৫ বছর পূর্বে এ শহরে মাত্র ৯টি মসজিদ ছিল এবং এখন মুসলমানেরা এই ৯টি মসজিদে নামাজ আদায় করে। ফ্রান্সের প্রথম মুসলিম অভিবাসীগন এ ৯টি মসজিদ নির্মাণ করেছেন এবং তখন এই মসজিদগুলো তাদের জন্য যথেষ্ট ছিল এবং তার অন্তত সন্তুষ্ট ছিল। কিন্তু দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর মুসলমানের সংখ্যা বৃদ্ধি হলেও মসজিদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়নি। বর্তমানে মুসলমানেরা সেদেশের অন্যান্য মাযহাবের মতই শান্তিপূর্ণ ভাবে ইবাদত করতে চাই এবং ইবাদতের জন্য স্থান বৃদ্ধি ব্যতীত তাদের অন্য কোন প্রত্যাশা নেই।
তিনি জানান, ফ্রান্সে ক্যাথলিক ধর্মের পর ইসলাম দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম। ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দপ্তর আনুমানিক ভাবে ২০১০ সালে জানিয়েছে সেদেশে পাঁচ থেকে ছয় মিলিয়ন মুসলমান রয়েছে।
পশ্চিম ইউরোপের মধ্যে ফ্রান্সে মুসলমানের সংখ্যা সবথেকে বেশী। অধিকাংশ মুসলমান সেদেশের প্যারিস, মার্সি এবং লিয়নে বসবাস করছে। ফ্রান্সে আলজেরিয়ার বংশোদ্ভূত ৩৫ শতাংশ, মরক্কোর ২৫ শতাংশ এবং তিউনিসিয়ার ১০ শতাংশ মুসলমান বসবাস করছে। এছাড়াও ফ্রান্সের স্থায়ী ৪০ হাজার অধিবাসী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে।
66397