
কুরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা’র রিপোর্ট: এ মসজিদটি প্রথাগত ভারতীয় স্টাইলে ‘ইয়ন জোসেফ আশওয়াগার’ নির্মাণ করেছেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আমেরিকা জাপানের নাগাসাকি এবং হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ করে। এর ফলে জাপানের বহু শহরই ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কুবা শহরও এর ব্যতিক্রম নয়। কুবা শহরেও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং এর ফলে জাপানের সর্বপ্রথম মসজিদের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তবে কুবা মসজিদের আশেপাশের ভবনগুলো মাটি সাথে মিশে গেলেও এ শক্তিশালী মসজিদের বাহিরের দেওয়ালে কিছু ক্ষতি হয়েছে এবং দরজা ও জানালার কাচ ভেঙ্গেছে এবং গোলাবর্ষণে ভিতরের অংশ কালো হয়ে গিয়েছিল।
বোমা বর্ষণের ভয়ে জাপানি সৈন্যরা এ মসজিদের ভূ-গর্ভের কক্ষে আশ্রয় নিয়েছিল এবং এ আশ্রয়ের ফলে তারা সকলেই জীবন রক্ষা পেয়েছে। তখন এ মসজিদ যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের আশ্রয় কেন্দ্রে রূপান্তরিত হয়েছিল। যুদ্ধ শেষ হলে কিছু ইসলামিক সরকার এ মসজিদটি মেরামত এবং সংস্কারের দায়ভার গ্রহণ করেছেন।
অন্য একটি দুর্ঘটনায়ও কুবা মসজিদটি তার একনিষ্ঠ শক্তিকে প্রমাণিত করেছে। জাপানে ১৯৯৫ সালের ১৭ই জানুয়ারির ৫:৪৬টায় হানশিন (Hanshin) নামক ভূমিকম্প হয়। মাত্র ২০ সেকেন্ডের এই ভূমিকম্পে ৬৪৩৩ জন জাপানি মারা যায়। এদের মধ্যে অধিকাংশই কুবা শহরের অধিবাসী। কিন্তু এ ভূমিকম্প কুবা মসজিদটি ধ্বংস হয়নি।
75678