
কুরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা’র রিপোর্ট: উক্ত কুরআন প্রদর্শনীতে উসমানীয় যুগের অন্তর্গত ‘আররিয়া’ নামক একটি পবিত্র কুরআন উপস্থাপন করা হয়েছে। তিন সেন্টিমিটারেরও কমে এ ক্ষুদ্র কুরআন শরীফটি দেখে দর্শনার্থীগণ ব্যাপক স্বাগত জানিয়েছে।
বৃহৎ কুরআনের পাশে এ ক্ষুদ্র কুরআন শরীফটি দর্শনার্থীদের সম্মুখে উপস্থাপন করা হয়েছে।
মাওলানা যাদুঘরের প্রধান ইউসুফ বিনালী জানিয়েছেন: প্রতি মাসে দেশী ও বিদেশী একলক্ষ পরিদর্শক ঐতিহাসিক এ যাদুঘর পরিদর্শনের জন্য আসে। গত বছরে ২২ লাখ পরিদর্শক ঐতিহাসিক মাওলানা যাদুঘর পরিদর্শনের জন্য এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, উক্ত যাদুঘরে ষোড়শ শতাব্দীর অন্তর্গত ‘ফাতিমা হানামে’র হস্তলিখিত পবিত্র কুরআন শরিফটি সংরক্ষিত রয়েছে।
কুনিয়া শহরের একটি দর্শনীয় স্থান মাওলানা যাদুঘর। কুনিয়া শহরে মাওলানা জালাল উদ্দিন বালখী জীবন যাপন করতেন।
মাওলানার পিতা সুলতানুল ওলামা’র মৃত্যুর পর তার ভক্ত এবং ছাত্ররা মাওলানার নিকট এসে সুলানুল ওলামা’র কবরে গুম্বজ নির্মাণের আহ্বান জানান। তখন মাওলানা তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলেন: “আসমানের থেকে উত্তম কোন গুম্বজ কি আছে?” এ কথা বলে তাদের আহ্বানকে তিনি গ্রহণ করেননি। কিন্তু ১২৭৩ সালে তার মৃত্যুর পর তার পুত্র বাহায়ু ওলাদ, মাওলানার ভক্তদের আহ্বানে তার মাযার এবং মাযারের গুম্বজ নির্মাণ করেন এবং বর্তমানে এ মাযার এ গম্বুজটি মাওলানা যাদুঘর নামে প্রসিদ্ধ।
1433702