IQNA

রোহিঙ্গা মুসলমানদের আশ্রয় দিতে অস্বীকার জানালো থাইল্যান্ড

23:50 - November 13, 2014
সংবাদ: 1472902
আন্তর্জাতিক বিভাগ: মিয়ানমার সরকারের নতুন পরিকল্পনার অনুযায়ী পরিচয়পত্র না থাকলে রোহিঙ্গা মুসলমানদের যাবত জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হবে। আর এ ভয়ে বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে রোহিঙ্গা মুসলমানেরা নৌকায় করে মিয়ানমার থেকে থাইল্যান্ডে দিকে যাত্রা শুরু করেছে। কিন্তু থাইল্যান্ড সরকারও তাদেরকে আশ্রয় দিয়ে রাজি নয়।

কুরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা’র রিপোর্ট: থাইল্যান্ডের পুলিশ ৯ম নভেম্বর জানিয়েছে: মিয়ানমার থেকে আগত প্রায় ২০০ জন রোহিঙ্গা মুসলমানদের নৌকায় করে থাইল্যান্ডের সীমানায় পৌঁছালে তাদেরকে সমুদ্রের দিকে ফেরত পাঠানো হয়।
এদিকে মানবাধিকার সংস্থা থাইল্যান্ডের নিকট আহ্বান জানিয়েছে, তারা যেন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জীবন বিপন্ন না করে।
গত শনিবার প্রায় ২৫৯ জন রোহিঙ্গা মুসলমানকে থাইল্যান্ডের সমুদ্র সীমানায় দেয়া যায় এবং অবৈধ ভাবে থাইল্যান্ডের সীমানায় প্রবেশের জন্য তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
থাই পুলিশ জানিয়েছে: আটক কৃত রোহিঙ্গা মুসলমানদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হবে।
অরাকানা নামক মানবাধিকারের জন্য মুসলমানদের অবস্থার উন্নয়নের আলোকে কর্মরত একটি গ্রুপের প্রধান ক্রিস লুয়া জানিয়েছেন: গত মাসের মাঝামাঝি দিকে প্রায় ৯০০ জন রোহিঙ্গা মুসলমান নৌকা করে সমুদ্রপথে মিয়ানমার ত্যাগ করেছে।
মিয়ানমার সরকারের নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, রোহিঙ্গা মুসলমানদের দু’টি পথ খোলা রয়েছে।  তারা বাঙ্গালী অভিবাসী হিসেবে নিজেদের নাম নিবন্ধন করবে, অথবা যদি রোহিঙ্গা মুসলমানদের গ্রেফতার করা হয় তাহলে যাবত জীবনী কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
রোহিঙ্গা মুসলমানেরা এ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ডের দিকে রওনা হয়েছিল। কিন্তু এরমধ্যে অনেকেই থাই পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়ে মিয়ানমারে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
মিয়ানমারের চরমপন্থি বৌদ্ধরা সেদেশের সরকারের সমর্থনে ২০১২ সালে মুসলিম নিধন পরিকল্পনা শুরু করেছে। আর এ সহিংসতার ফরে অনেকেই বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং অনেকেই নিহত ও নিখোঁজ হয়েছে।
1472023

captcha