
কুরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা’র রিপোর্ট: ‘মুসলমানদের অবস্থা উন্নতির জন্য অরাকানা’ নামক প্রকল্পের প্রধান উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছেন: মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্য ধাবিত রোহিঙ্গা মুসলমানদের কোন সন্ধান পাওয়া যাচ্ছেনা।
রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য মিয়ানমারের মুসলমানেরা ১৫ই অক্টোবর নতুন আইন নির্ধারণ করেছে। আর এরফলে প্রায় ১২ হাজার রোহিঙ্গা মুসলমান রাখাইন প্রদেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে।
নতুন আইন নির্ধারণের ফলে এপর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার বাংলাদেশী মুসলমান ও রোহিঙ্গা মুসলমান মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্য দেশ ত্যাগ করেছে।
গত সপ্তাহে থাইল্যান্ডের সীমান্তে প্রায় ৪৬০ জন রোহিঙ্গা মুসলমানকে উদ্ধার করে তাদেরকে গ্রেফতার করেছে থাইল্যান্ডের পুলিশ। সহস্রাধিক রোহিঙ্গা মুসলমান এখনও পর্যন্ত পানিতে ভাসমান রয়েছে। অথচ মিয়ানমার থেকে থাইল্যান্ডে পৌছাতে মাত্র পাঁচ দিন সময় লাগে।
মিয়ানমার সরকারের নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, মিয়ানমারের সরকার তাদেরকে স্বীকার করে নিলেও তাদের নাগরিকত্ব কার্ডে বাঙ্গালী জাতি হিসেবে তাদেরকে পরিগণিত করা হবে এবং এ কাজ করতে যদি তারা রাজি না হয় তাহলে তাদেরকে বন্দি করা হবে এবং যাবত জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
এ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য রোহিঙ্গা মুসলমানেরা থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্য রওয়ানা হয়েছে। যাতেকরে থাইল্যান্ড থেকে মালয়েশিয়া যেতে পারে।
মিয়ানমারের চরমপন্থি বৌদ্ধরা সেদেশের সরকারের সমর্থনে ২০১২ সালে সংখ্যালঘু মুসলিম নিধন পরিকল্পনা শুরু করেছে। আর এ সহিংসতার ফরে অনেকেই বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং অনেকেই নিহত ও নিখোঁজ হয়েছে।
1473884