ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইসলামিক সায়েন্স এর একজন একাডেমিক মোহাম্মদ আলী রেযাঈ ইসফাহানী বলেন, মূল পাঠ্য হিসেবে দশটি কোরআনী বিষয় নির্বাচন করা হয়েছে যার মধ্যে আছে 'কোরআন ও হিউম্যান সায়েন্স', 'কোরআন ও এডুকেশনাল সায়েন্স', 'কোরআন ও রাজনীতি' এবং 'কোরআন ও ম্যানেজমেন্ট'।
তিনি বলেন, 'পবিত্র কোরআন ও বিজ্ঞান' পাঠ এই প্রথম পৃথিবীতে সৃষ্টি হয়েছে। এই বিষয় পড়াশোনার জন্য ইরানী ছাত্রদের সাথে আরও ৯০ টি দেশের ছাত্রদের নেয়া হবে।
রেযাঈ ইসফাহানী বলেন, এটি কোরআন ও অন্যান্য ক্ষেত্রের সাথে সম্পর্ক সৃষ্টি করবে।
কোরআন ব্যাখ্যায় অচলাবস্থা দূর করা, আন্তবিষয়ক গবেষণা, মানবিক বিষয়ে ইসলামী স্পর্শ দেয়া এবং নুতন বিজ্ঞান সৃষ্টি করা হবে এর লক্ষ্য।
ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইসলামিক সায়েন্স আগামী শিক্ষা বছর থেকে ছাত্রছাত্রী ভর্তি শুরু করবে এবং ছাত্রছাত্রীরা ক্বোম, ইসফাহান, মাশহাদ ও গরগানে পড়াশোনা করতে পারবে।