স্যান্ডির ইউটাহ ইসলামিক সেন্টার প্রায় ৩০০ লোক জমা হয়েছিলো ইসলাম ধর্মের প্রতিষ্ঠাতার প্রশংসা করার জন্যে। বাসায় বানানো খাবার, যেমন- চিকেন কারী, কাবাব এবং ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি খাবার টেবিল গুলোতে সাজানো হয়েছিলো।
তৃতীয় বারের মত ঈদ-এ- মিলাদুন্নবী (নবীর জন্মবার্ষিকী) অনুষ্ঠিত হয়েছে আল মুস্তাফা ফাউন্ডেশানের সহযোগিতায়। সংস্থাটি শিক্ষা ও সমঝোতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছে মুসলিম সমাজে ও অন্যান্য ধর্মের লোকদের সাথে।
সাঈদ ফাইযী, যিনি ফাউন্ডেশনের একজন প্রতিষ্ঠাতা, বলেন, সংস্থাটির লক্ষ্য হচ্ছে 'মানুষের মধ্যে ভালোবাসা' বৃদ্ধি করা। তিনি বলেন, দিনটি ধর্মীয় দিনের চাইতে সাংস্কৃতিক দিন হিসেবেই বেশী বিবেচিত। তিনি বলেন, দিনটি ইসলামে খুব গুরুত্বপূর্ণ দিনগুলোর একটি।
উপস্থিত অভ্যাগতরা বিভিন্ন প্রেক্ষাপট থেকে এসেছে। কেউ ছিলো শ্বেতাংগ নও মুসলিম, কেউ ছিলো আমেরিকায় জন্মগ্রহনকারী, কেউ দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া থেকে, কেউ মধ্যপ্রাচ্য থেকে, কেউ পূর্ব আফ্রিকা এবং অন্যরা পৃথিবীর অন্যান্য অংশ থেকে।
বসনীয়াদের ইমাম সেরিফ ডেলিচ কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন।