তিনি ভারতের বড় বড় ইসলামী সংস্থাগুলোর নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলার সময় একথা বলেন। নেতৃবৃন্দ তার সাথে মুসলিম যুবকদের হয়রানি করা বন্ধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করার আবেদন নিয়ে তার সাথে সাক্ষাত করেন।
প্রতিনিধি দলের মাঝে ছিলো জামায়াতে ইসলামী, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ, মুসলিম পারসোনাল ল বোর্ড (MPLB) এবং মুসলিম মজলিস-এ-মুশাওয়ারাতের নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ ভারত জুড়ে যাকে তাকে গ্রেফতার ও মুসলিম যুবকদের মিডিয়াতেই বিচার করে ফেলার বিষয়ে অভিযোগ করেন।
মুসলিম মজলিস-এ-মুশাওয়ারাতের প্রেসিডেন্ট ড. জাফরুল ইসলাম খান বলেন, প্রধান মন্ত্রী তাদের প্রতি সহানুভুতি প্রকাশ করেন এবং একটি সম্মিলিত ব্যবস্থার প্রস্তাব রাখেন। যদিও এর কার্যকারিতা সম্পর্কে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।
ড. কাসিম রসুল ইলইয়াস বলেন যে নেতৃবৃন্দ ভারত জুড়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর হাতে মুসলিম যুবকদের নিগৃহীত হওয়ার খুটিনাটি বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, বেশ কিছু ঘটনাতে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো মিডিয়াকে মিডিয়া ট্রায়াল অনুষ্ঠানের আহবান জানায় যেন বিচারকদের প্রভাবিত করা যায়।