শেইখ যায়নালদীন তার বক্তব্যে বলেন, সব শ্রেণীর মানুষ মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহন করতে পারবে। এছাড়াও তারা সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহন করতে পারবে।
একজন বিখ্যাত শিয়া আলেম আলী আল সিউদ বিজ্ঞান, শিক্ষা ও শিয়া ধর্মীয় ও শিক্ষা কেন্দ্রগুলোর উন্নয়নে সংগ্রাম করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, এই বিষয়ে চেষ্টা নবী মুহাম্মাদ (সা.) এর পরিবারের নৈতিকতা ও বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্বাসের প্রতি অনুগত একটি সমাজ গড়তে সাহায্য করবে।
সিহাত শহরে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা কাতিফ ও আল আহসা প্রদেশে শিয়া মাদ্রাসার প্রসার ঘটানোর লক্ষ্যের একটি অংশ।
এই নতুন মাদ্রাসা শিয়া মাযহাবকে ভালোবাসে এমন পুরুষ ও নারীদের শিক্ষা দিবে।
উল্লেখ্য সৌদি আরবের সরকার শিয়া মাদ্রাসাকে স্বীকৃতি দেয়নি এবং মাদ্রাসা উদ্বোধনে বাধাও দেয়নি।