IQNA

ইমাম খোমেইনীর চিন্তা ভাবনায় প্রভাবিত হয়েছে নাইজেরিয়ার মাদ্রাসাগুলো

21:54 - June 05, 2008
সংবাদ: 1657877
নাইজেরিয়াতে অনেক সুন্নী ও শিয়া মাদ্রাসা, বিশেষ করে বাক্বের-উল-উলুম মাদ্রাসা ফিকাহ শাস্ত্রে মরহুম ইমাম খোমেইনীর চিন্তা ও তত্ত্ব শিক্ষা দেয়।
নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের শহর কানোতে বাক্বের-উল-উলুম ইসলামী মাদ্রাসায় প্রভাষক হিসেবে আছেন জনাব মুহাম্মাদ নূর। তিনি ইকনাকে বলেন যে নাইজেরিয়াতে অনেক ইসলামী দল ও গ্রুপ ইমাম খোমেইনীর অসাধারণ আদর্শকে অনুসরণ করে যা সত্যিকারভাবে পবিত্র কুরআন ও মহান ইসলাম ধর্মের নীতিমালা থেকে বিচ্ছুরিত হয়।

নাইজেরিয়াতে শিয়া মাদ্রাসাগুলো ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম ইমামের মহান চিন্তাধারায় প্রভাবিত এবং বর্তমানে অনেক নাইজেরিয় মাদ্রাসাতে ইমাম খোমেইনী ও অন্যান্য মারজা (মুজতাহিদ) লিখিত ফিকাহ শাস্ত্রের বই পড়ানো হচ্ছে। সুন্নী পণ্ডিতগণ ও সুন্নী মাদ্রাসাগুলো ইমাম খোমেইনীর মহান চরিত্রকে সম্মান করে ও মনে করে তিনি সাম্প্রতিক বিশ্বে ইসলামী শিক্ষাকে পুনর্জীবিত করেছেন এবং মুসলিমদের মাঝে শ্রেষ্ঠ নেতাদের একজন ছিলেন ।

ইসলামের বিভিন্ন মাযহাবের বেশীর ভাগ পণ্ডিত ব্যক্তিগণ ও নেতারা মরহুম ইমাম খোমেইনীর ইসলামী ঐক্য ও স্বাধীনতার বিষয়ে চিন্তাভাবনাকে স্বাগতম জানিয়েছেন। তবে কিছু পণ্ডিতব্যক্তি পশ্চিমাদের প্রপাগান্ডায় প্রভাবিত মরহুম ইমামের ধ্যান ধারনার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বমূলক আবস্থান নিয়েছিলে। তারা সুন্নী ও শিয়াদের মাঝে বিতর্ক উপস্থাপন করেছে।

ইমাম খোমেইনীর ইসলামী আন্দোলনের আগে মুসলিম যুবকরা হয় কমিউনিস্ট শিবির অথবা পুঁজিবাদী শিবিরের দিকে ঝুঁকে ছিলো। কিন্তু ইসলামী বিপ্লবের পর মুসলিম যুবকরা প্রকৃত ইসলামী পরিচয় খুঁজে পায় যা উপস্থাপন করেছিলেন ইরানের ইসলামী বিপ্লবের মহান নেতা।

মুহাম্মাদ নূর আরও বলেন, পৃথিবীর দাম্ভিক শক্তিবর্গ এবং ইসলামের কঠিন শত্রুরা ইমাম খোমেইনীর চিন্তাভাবনাকে সবসময় বিকৃত করতে চেষ্টা করেছে। আর তাই সব মুসলিমের উপর এর দায়িত্ব বর্তায় মরহুম ইমামের নৈতিক মূল্যবোধ ও ইসলামী ধ্যান ধারনার পক্ষে কথা বলা। যদি মুসলিমরা তাদের ঐক্য বজায় রাখে এবং সাম্প্রদায়িক বিরোধ এড়িয়ে যদি মুসলিমরা তাদের ঐক্য বজায় রাখে এবং সাম্প্রদায়িক বিরোধ এড়িয়ে চলে যেভাবে মরহুম ইমাম বলেছেন তাহলে শত্রুরা মুসলিম সম্প্রদায়ে অনুপ্রবেশ করতে পারবেনা এবং বিভেদের বীজ বপন করতে পারবেনা।
captcha