ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার দ্প্তরের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা ইকনা জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী ফার্সি নববর্ষ উপলক্ষ্যে এক বাণীতে ইরানী জনগণ এবং প্রবাসী ইরানীদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সাথে তিনি নতুন ফার্সি বছরকে সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে 'পরিমিত ব্যয় নীতির সংস্কারের বছর' নামকরণ করেছেন।তিনি বিগত ফার্সি ১৩৮৭ সালকে ঘটনাবহুল বছর হিসেবে উল্লেখ করেন এবং ইরানের ভেতরে ও বাইরে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলেন, বিগত ফার্সি বছর ইরানী বিজ্ঞানীদের পরিশ্রমের ফসল হিসেবে পরমাণু শক্তি অর্জনের খবর দিয়ে শুরু হয়েছিল এবং বছরের শেষ দিকে এসে মহাকাশে উপগ্রহ উমিদ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ইরান বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি দেশের অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে বুশাহর পরমাণু কেন্দ্রের কাজ শুরুর কথা উল্লেখ করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, বিশ্ব এখন এ বাস্তবতা মেনে নিয়েছে যে, ইরানের অগ্রগতি রোধ করা সম্ভব নয়। কারণ, জ্ঞানবিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইরানের অগ্রগতি প্রমাণ করেছে, এদেশের ওপর পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞাগুলো কোন কাজে আসে নি এবং ইরানী তরুণ সমাজ পশ্চিমাদের সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করতে পেরেছে। বিশ্বের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ঘটে যাওয়া বিশাল পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু হয়ে যে অর্থনৈতিক মন্দা মধ্যপ্রাচ্যসহ গোটা বিশ্বকে নাড়া দিয়েছে, ইরানী কর্মকর্তাদের বিচক্ষণ পদক্ষেপের ফলে এদেশ ঐ মন্দার প্রভাব থেকে অনেকটা মুক্ত থাকতে পেরেছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা তার নববর্ষের বাণীতে গাজা উপত্যকায় ইহুদীবাদী সেনাদের আগ্রাসন এবং ফিলিস্তিনী জনগণের ২২ দিনব্যাপী অকুতোভয় প্রতিরোধের কথা উল্লেখ করে বলেন, গাজায় ইসরাইলী বাহিনীর পরাজয় বিশ্বের জনগণের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিয়েছে যে, অত্যাচারী- সে যত বড় শক্তিশালী হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে বিজয়ী হওয়া যায়। # 379946