IQNA

ইরানের ক্বারীরা কুরআন তেলাওয়াতের নতুন স্টাইল আবিষ্কার করতে সক্ষম

12:27 - August 05, 2009
সংবাদ: 1809927
মিশরের প্রখ্যাত ক্বারী শেখ আহমেদ নুআইমা বলেছেন, ইরানের বেশিরভাগ ক্বারী কেরাতের ক্ষেত্রে মিশরের কুরআন মাস্টার শেখ মুস্তফা ইসমাইল, শেখ আবদুল বাসিত আবদুস সামাদ,মোহাম্মদ সিদ্দিক আল মিনশাভী এবং মাহমুদ আলী আল-বান্নার মতো ক্বারীদের সমকক্ষতা অর্জন করেছেন।
ইরানের কুরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনার সাথে এক সাক্ষাতকারে ড. নুআইনা বলেন, ইরানের ক্বারীদের কণ্ঠস্বর ও সুর মিশরের বিখ্যাত ক্বারীদের সমপর্যায়ে পৌঁছেছে।
তিনি বলেন, ইরানের বহু শহরে কুরআন প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থি'ত থেকেছেন এবং ইরানী তরুণ ক্বারীদের চমৎকার ক্বেরাত শুনে বিস্ময়াভিভূত হয়েছেন।
ক্বেরাত প্রতিযোগিতায় মুসলিম বিশ্বের দুই শীর্ষ দেশ ইরান ও মিশরীয় ক্বারীদের কুরআন তেলাওয়াতের তুলনা করে প্রখ্যাত এই ক্বারী বলেন, “১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব সফল হওয়ার পর ইরান এ ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি লাভ করেছে। ”
ইরানের ক্বারীরা কীভাবে ক্বেরাতের ক্ষেত্রে আরো উন্নতি লাভ করতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে নুআইনা বলেন, বিভিন্ন শহরে কুরআন প্রতিযোগিতা এবং তা টেলিভিশন ও রেডিও চ্যানেলে সরাসরি সমপ্রচারের ব্যবস্থা এ ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা পালন করতে পারে। এতে ইরানের ক্বারীরা ক্বেরাতের ক্ষেত্রে নতুন স্টাইল আনতে পারবে। তিনি বলেন, মিশরও এ বিষয়ে এমন পদক্ষেপ নিয়েছিল।
সাক্ষাতকারের এক পর্যায়ে তিনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে কুরআনের কার্যক্রম ছড়িয়ে দেয়ার বিষয়ে ইরানের প্রশংসা করে বলেন, “ আমি বিশ্বাস করি ইরান এই ক্ষেত্রে অগ্রদূত। কারণ, ইরানই বিভিন্ন কুরআন প্রতিযোগিতার অডিও ফাইল ইন্টারনেটে পাঠিয়ে দেয় যা সহজেই যে কেউ পেতে পারেন।”
ড. নুআইনা আরো বলেন, “গত ৩০ বছরে ইরান পবিত্র কুরান ও ধর্মীয় নীতি-আদর্শের যে ভিত্তি গড়ে তুলতে পেরেছে তা নি:সন্দেহে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের জন্য একান্ত্ই বিশেষ অর্জন।” # 443048

captcha