মোহাম্মদ কারিমী রাদ বলেন, আমরা দেখেছি- ইয়েমেন, লেবানন, ফিলিস্তিনী, ইরাক, আফগানিস্তান ও আরো অনেক দেশ যেখানে সংকট রয়েছে সে সব জায়গায় ইমাম খোমেনি (রহ.) এর দেখানো পথ ও ইসলামী বিপ্লবের পথ ধরে প্রতিরোধ আন্দোলন এগিয়ে যাচ্ছে।
ইরানের কুরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনার সাথে ইসলামী বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনির আন্দোলনের লক্ষ্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জনাব কারিমী বলেন, মরহুম ইমাম খোমেনি ইসলামের আদর্শগুলো পুনরুজ্জীবিত করে ইসলামী আন্দোলন কুরআন ও ইতরাত অনুযায়ী পরিচালতি করেন। এ দৃষ্টিভঙ্গির ওপর ভিত্তি করে তিনি পাহলভী শাসকদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে ইরানের জনগনকে সচেতন করে তুলতে সক্ষম হন। তিনি বলেন, “পাহলভী সরকারের বর্বর নির্যাতন ও ইসরাইলের সাথে ওই সরকারের সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়ে ইমাম খোমেনি জনগণকে সচেতন করার বিষয়ে বিরাট ভূমিকা পালন করেন। এই কার্যক্রম তিনি শুরু করেন ১৯৬৩ সালে যা শেষ হয় ১৯৭৯ সালে ইসলামী বিপস্নব বিজয়ের মধ্য দিয়ে।” ১৫ বছর বিদেশে নির্বাসনের পর দেশে ফিরলে ইমাম খোমেনিকে জনগণের ব্যতিক্রমধর্মী উষ্ণ অভ্যর্থনা জাননোর বিষয়ে জনাব কারিমী বলেন, ইমাম খোমেনি ইসলামের প্রচার ও আহলুল বাইয়্যাত (আ.) দের শিক্ষার ওপর জোর দিতেন। এ জন্যই তিনি ইরানী জনগণের কাছে এত বেশি জনপ্রিয় ছিলেন।
ইমাম খোমেনির বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে জনাব কারিমী বলেন, ইমাম হোসেইন (আ.) এর উত্থান ও আশুরা এবং ইমাম খোমেনির বিপ্লবী চেতনা তাকে এমন একটা ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের দিকে এগিয়ে নিয়েছিল। # 534617