সিয়েরালিওনের ইরানী কালচারাল সেন্টারের এক স্টাফ কর্তৃক লিখিত ওই নিবন্ধে বলা হয়েছে-“হযরত জায়নাব সালামুল্লাহ আলাই পৃথিবীর ইতিহাসের মহান ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং তিনি কারবালা থেকে বহু দূরের এলাকার জন্য বার্তা নিয়েছিলেন।”
নিবন্ধে বলা হয়, “ধৈর্য্য ও প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে হযরত জায়নাব এই মূল্যবোধগুলো তুলে ধরা বা ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করেন এবং শুধু কারবালার একজন বার্তা বাহক হিসেবেই নন; যারা সে দিন কারবালায় শহীদ হয়েছিলেন তাদের পরিবারের ও কারবালার ঘটনায় বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করেন। তিনি ধর্মীয় নীতি-আদর্শ ঠিক রেখেই তার দায়িত্ব পালন করেন, এমনকি তিনি যখন বন্দী ছিলেন তখনও দায়িত্ব পালনে দৃঢ়সংকল্প ছিলেন।”
নিবন্ধে আরো বলা হয়, “তিনি বিশ্বস্ততার সাথে মক্কা থেকে মদীনায় এবং পরবর্তীতে কারবালায় ইমাম হোসেইন (আ.) এর সঙ্গী হন এবং আশুরার উত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।”
হযরত জায়নাব সালামুল্লাহে আলাইহা বিশ্বকে দেখিয়েছিলেন- কীভাবে সততার সাথে অন্যায় ও নিষ্ঠুরতার বিরম্নদ্ধে প্রতিরোধ করতে হয় এবং যারা সত্য সন্ধানী তাদেরকে তিনি সেই সত্যের সন্ধান দিয়েছিলেন।”# 535352