IQNA

ইন্দোনেশিয়ায় কোরআনিক কার্যক্রমের ইতিহাস

0:48 - April 03, 2010
সংবাদ: 1901369
আন্তর্জাতিক বিভাগ: ইন্দোনেশিয়ায় কোরআনিক কার্যক্রম ১১ শতাব্দিতে ইসলাম প্রচারের সাথে সাথে শুরু হয়। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এর ব্যাপক প্রসারের ব্যাপারে পূর্বের ন্যায় সচেষ্ট।
ইরানের কোরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা জানিয়েছে: গণপ্রজাতন্ত্র ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের চতুর্থ জনবহুল এবং সবচেয়ে বেশী মুসলমান বসবাসকারী দেশ হিসেবে বিবেচিত। এদেশের জনসংখ্যা প্রায় ২৩ কোটি ৮০ লাখ। মোট জনসংখ্যার শতকরা ৯০ শতাংশ মুসলিম এবং অবশিষ্ট ১০ শতাংশ খ্রীষ্টান, হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী। রাষ্ট্রীয় ভাষা মালায়ূ হওয়া সত্ত্বেও এ দেশের জনগণ মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার করে থাকেন।
১১ শতাব্দিতে ইন্দোনেশিয়ায় ইসলাম প্রবেশ করে। বর্তমানে এদেশের মুসলিম আলেমগণ এবং ক্বারীগণ নিজেদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচী বিস্তৃতি দানের উদ্দেশ্যে, এ পথে বিদ্যমান বিভিন্ন বাধা দূর করতে এবং ধর্মীয় শিক্ষা এ দেশের জনগণের নিকট পৌঁছাতে সোচ্চার।
ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা লাভের পর, কোরআনের কেরাত ও হেফজের বিষয়ে বিশেষ পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়েছে। যা জনাব দাহলান সালিম আয-যারকেশীর উদ্যোগে সম্ভব হয়। তিনি ‘আল-বাগদাদিয়্যাহ’ শীর্ষক বিখ্যাত পদ্ধতিতে ইন্দোনেশিয়ায় কোরআন প্রশিক্ষণ চালু করেন। বর্তমানে ‘কারায়াতী’ নামক আবিস্কৃত নতুন পদ্ধতি ইন্দোনেশিয়ার সকল ক্ষেত্রে প্রচলিত। কেননা শিশুদের কোরআন প্রশিক্ষণ এ পদ্ধিতিতেই প্রদান করা হচ্ছে।
মুহাজির সুলতান ১৯৬৫ সালে ‘সুরাবায়া’ অঞ্চলে বড়দের কোরআন শিক্ষার জন্য নতুন পদ্ধতি আবিস্কার করেন, যা ‘আল-বারকী’ নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে। এ পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে পূর্বের চেয়ে দ্রুত এবং সহজ উপায়ে কোরআন শিক্ষা দেয়া সম্ভব হয়েছে।
কোরআন শিক্ষক বেজামিন সালেহীন স্বীয় কোরআনিক কর্মসূচী সম্পর্কে জানান: ১৯৯৯ সাল হতে ২০০৯ সাল অবধি প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থী ‘গারনাতাহ ও কাতেবাহ’ শীর্ষক দু’টি প্রশিক্ষণ কোর্সে অংশগ্রহণ করেছে। আর এ কর্মসূচী হতে দু’টি গ্রন্থ এবং ৬টি সিডি প্রস্তুত ও বাজারজাত করা হয়েছে এবং অদ্যাবধি এ গ্রন্থ ও সিডির কয়েকটি সংস্করণ বাজারজাত করা হয়েছে।
এছাড়া গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুদের কোরআন প্রশিক্ষণের জন্য ভ্রাম্যমান কোরআন প্রশিক্ষণ কর্মসূচীরও ব্যবস্থা রয়েছে। (সংক্ষিপ্ত)
সূত্র: দি ইসলাম টুডে বার্তা সংস্থা।# 556250
captcha