CPI এর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনার রিপোর্ট: ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলনের এ নেতা এ কথা উল্লেখ করে বলেছেন: মিসরসহ অন্যান্য আরব দেশে ইসরাইলী দূতাবাসগুলো গোয়েন্দাবৃত্তির গোপন আস্তানা। এ সকল আস্তানা জনগণের মাঝে বিভেদ ও টানাপোড়ন সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
তিনি বলেন: গত শুক্রবার মিশরের রাজধানী কায়রোর ঘটনা, ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি হতে মিশরের জনগণের অসন্তুষ্টি ও ক্রোধের বহিঃপ্রকাশ। যে চুক্তি অত্র অঞ্চলে সন্ধি ও শান্তি প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
যে সকল আরব দেশের জায়নবাদী ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক রয়েছে তাদেরকে দ্রুত ইসরাইলের সম্পর্কোচ্ছেদ করার প্রতি তিনি আহবান জানান।
তিনি বলেন: মিশর ও ফিলিস্তিনের মাঝে বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক পূর্বেকার ন্যায় বজায় থাকবে এবং মিশরের জনগণ পূর্বের ন্যায় দখলকৃত ভূখণ্ড মুক্ত করতে সহযোগিতা করবে।
বলাবাহুল্য, গত শুক্রবার (৯ই সেপ্টেম্বর) মিসরের বিক্ষুব্ধ জনতা ইসরাইলের দূতাবাসে প্রবেশ পূর্বক তা দখল করে নেয় এবং দূতাবাস অভ্যন্তরে বিদ্যমান বিভিন্ন গোপন ডক্যুমেন্ট রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলে।#859317