আল-ইয়াওম আস-সাবে’র বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনার রিপোর্ট : ছাত্ররা ঘোষণা করেছে যে, তারা স্বেচ্ছায় মিশরের বিপ্লবী জনতাকে অনুসরণ করে –যারা জায়নবাদী ইসরাইলের দূতাবাস দখল করে ইসরাইলী পতাকায় অগ্নি সংযোগ করেছিল- এ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
মিশরের বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা জানিয়েছে : নতুন মিশরে মার্কিন সংস্কৃতির কোন স্থান নেই এবং পশ্চিমা সংস্কৃতিসমূহ মিশরের ইসলামি বিপ্লবের সাথে সামঞ্জস্যতা রাখে না।
বিক্ষুব্ধ ছাত্ররা মার্কিন পতাকা নামানোর সময় ‘এখানে মিশর, আমেরিকা নয়’, ‘মাথা উচু করো, তুমি মিশরীয়’ ইত্যাদি শ্লোগান দিতে থাকে।
ছাত্রদের এ সমাবেশকে বোকামীপূর্ণ আখ্যায়িত করা এবং ‘ছাত্রদের কথা শোনার সময় নেই’ আমেরিকান ইউনিভার্সিটির ডীন ‘লিজা এন্ডারসন’ কর্তৃক এহেন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ছাত্ররা তাকে ক্ষমা প্রার্থনা অথবা তাকে তাকে পদচ্যুত করতে হবে বলে দাবী জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, আমেরিকান ইউনিভার্সিটি মিশরের রাজধানী কায়রোর আল-তাহরীর স্কয়ারে অবস্থিত। এ বিশ্ববিদ্যালয় ১৯১৯ সালে প্রাচ্যে পশ্চিমা সংস্কৃতির বিস্তার ঘটানোর উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। নিউ ইয়র্কেও এ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কার্যালয় রয়েছে। ক্ষমতাচ্যুত মোবারকের স্ত্রী ‘সুসান মোবারক’ ও তার পুত্র ‘জামাল মোবারক’ এ বিশ্ববিদ্যালয়েই পড়াশুনা করেছে।#863127