ইরানী কুরআন বিষয়ক সংবাদ সংস্থা (ইকনার) রিপোর্ট: হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন ইয়াযদানী জামেয়াতুল মুস্তাফায় অনুষ্ঠিত মাবিয়া, হাসান এবং হুসাইন সিরিয়ালের পর্যালোচনায় বলেন: যারা এই ফিল্ম তৈরী করেছে তারা চায় ইমামদের মর্যাদা কমিযে মাবিযার মর্যাদা বৃদ্ধি করতে। মোটকথা তারা মাবিয়াকে ইমামদের সমপর্যায়ে আনতে চায়।
তিনি আরো বলেন: এই ফিল্মের নির্মাতাগণ বহু উদ্দেশ্য নিয়ে এই সিরিয়াল তৈরী করেছে। তার মধ্যে একটি বড় উদ্দেশ্য হচ্ছে আব্দুল্লাহ ইবনে সাবাকে প্রতিষ্ঠিত করা। কেননা এই ব্যক্তির ব্যক্তিত্বকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে তারা শিয়াদেরকে দূর্বল করতে পারবে। এই সিরিয়ালের কর্মকর্তারা এই সিরিয়াল তৈরী করে ইমাম আলী(আ.)-এর খেলাফতকালীন সমযের কিছু কাজের সমালোচনা করেছে।
তিনি বলেন: আব্দুল্লাহ ইবনে সাবার ব্যক্তিত্বকে প্রতিষ্ঠিত করার পিছনে দ্বিতীয় যে উদ্দেশ্য তা হচ্ছে তাকে ওছমানের হত্যাকারী হিসাবে তুলেধরে সাহাবাদের দোষকে তার ঘাড়ে চাপাবে।অনুরূপভাবে আরো একটি বড় উদ্দেশ্য হচ্ছে তাকে প্রতিষ্ঠিত করে ৭০ হাজার রাসূলের সাহাবীদের হত্যার দাযভার মাবিয়া, আয়েশা, তালহা এবং জুবায়েরকে বাদ দিয়ে তার ঘাড়ে চাপাবে।
এই গবেষক আরো বলেন: এই অশ্লীল সিরিয়ালে দেখানো হয়েছে যে, ইমাম হাসানের সাথে ওছমানের খূব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। তিনি সর্বদা ওছমানের বাসায থাকতেন কিন্তু পিতার প্রতি তেমন কোন মনোযোগ তার ছিল না।
ইয়াযদানী বলেন: তারা এই সিরিয়ালে এই মিথ্যা বিষয়টিকে এত বেশী জোরালো করে দেখিয়েছে যে, এমনকি যখন সকলেই ইমাম আলীর হাতে বায়াত গ্রহণ করেন ইমাম হাসান ও ইমাম হুসাইন তা জানতেন না পরবর্তীতে তারা লোক মুখে বিষয়টি জানতে পরেন।
তিনি বলেন: এই সিরিয়াল নির্মাতাদের আরেকটি বড় উদ্দেশ্য হচ্ছে তারা চেষ্টা করেছে যে, ইমাম হুসাইন(আ.)-এর আন্দলোন ভুল ছিল। এই উত্থানের ফলে ইমাম নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং তার অনুসাররিাও ক্ষতিগ্রস্ত হযেছেন। এই আন্দলোনের ফল শিয়াদেরকে বিভ্রান্ত করা ছাড়া আর কিছুই হয নি।
তিনি বলেন: এই সিরিয়ালেমাবিয়ার চেহারার সাথে সর্বদা নুর দেখানো হযেছে এবং তার বাড়িকে বেহেশতের মত দেখানো হয়েচে অথচ তার পাশে ইমাম হাসান ও ইমাম হুসাইন(আ.)-এর চেহারা একবারে সাধারণ দেখানো হয়েছে।অথচ ইমাম হাসান ও হুসাইন(আ.) সম্পর্কে রাসূল(সা.) বলেছেন: তারা বেহেশতের যুবকদের সর্দার। তারা আমার নয়ন মনি।
ইয়াযদানী সব শেষে বলেন: অনুরূপভবে মালেক আশতারের চেহারাও খুব উগ্র ও ভয়ানক দেখানো হয়েছে। অথচ হযরত আলী (আ.) মালিক আশতার সম্পর্কে বলেছেন: মালেকের উপমা আমার নিকট সেইরূপম যেরূপ আমি রাসূল(সা.)_-এর নিকট ছিলাম।
863979