ইরানী কোরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা “ইকনা’র” রিপোর্ট: আফগানিস্তানের বিশেষ কমিশন, পবিত্র কোরআন অগ্নিসংযোগ ঘটানোর ব্যাপারে পর্যবেক্ষণ করে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছালেন যে, এই জঘন্য বাহিনীরা ইচ্ছাকৃত ভাবে পবিত্র কোরআন শরীফে অগ্নিসংযোগ ঘটিয়েছে।
এই বিশেষ কমিশনের সদস্য “মওলাভী খালেক দাদ” জার্মানি সংবাদ সংস্থায়, পবিত্র কোরআন শরীফে অগ্নিসংযোগের ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, গবেষণা করে জানা যায় যে, আমেরিকান সামরিক বাহিনী পবিত্র কোরআন শরিফে অগ্নিসংযোগ সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃত ভাবে করেছে।
তিনি আরও জানান, এই ন্যক্কারজনক ঘটনার আগে আফগানিস্তানের কিছু সংখ্যক সামরিক বাহিনী বাঘরাম ঘাঁটিতে উপস্থিত ছিল। তাঁরা মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থকে অবমাননা না করার জন্য সতর্ক করে।
পবিত্র কোরআন শরিফগুলো বন্দিদের একটি কন্টেইনারে রাখা ছিল, সতর্কবার্তার কিছুদিন পরেই আমেরিকান সামরিক বাহিনী কোরআন শরীফ গুলোয় আগুন জ্বালায়। এই ন্যক্কারজনক কর্ম এক বা দুই কপির উপর সঞ্চালিত হয় নি যে তারা বলবে একাজ অনিচ্ছাকৃত ভাবে ঘটেছে।
অগ্নিসংযোগের দুই সপ্তাহ আগে আফগানিস্তান এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা আমেরিকার বিরুদ্ধে রুখে দাড়ায় এবং ওয়াশিংটনের সামরিক কর্তৃপক্ষের নিকট আফগানিস্তান থেকে আমেরিকান সৈন্য বাহিনীর বহিষ্কারের আবেদন জানায়।
966700#