IQNA

ইব্রাহীম (আ) এর দ্বীন, শান্তি ও বন্ধুত্বের সংবাদবাহী

22:34 - May 15, 2012
সংবাদ: 2326846
আন্তর্জাতিক বিভাগ : ইব্রাহীমী দ্বীনের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে, শান্তি ও বন্ধুত্বের প্রতিষ্ঠা করা এবং যতক্ষণ পর্যন্ত এটি প্রতিষ্ঠা লাভ না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত দ্বীন পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তিদের দূর্বলতা প্রকাশ পেতে থাকবে।
ইরানী কোরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনার রিপোর্ট : জনাব শিক্ষক “ডাঃ কুরাট আন্দুরাস রিচার্ডসন” ম্যাক মষ্টার বিশ্ববিদ্যালয়, আমেরিকা, চলতি মে মাসের ১লা তারিখে, বর্তমান ইসলামী জাগরণ ও আন্তর্জাতিক দ্বীন অনুষ্ঠানের শেষ দিনে, উপরোক্ত বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি বলেন : আমার বিশ্বাস, দ্বীন পরিচালনায় নিয়োজিত ব্যক্তিবর্গ আজ পর্যন্ত ইসলামী জাগরণের প্রসার লাভের জন্য উপযুক্ত কোন পদক্ষেপ নেয়নি এবং আসা করি, তারা এই বর্তমান ইসলামী জাগরণকে কেন্দ্র করে উপযুক্ত ব্যক্তিদের এসব কাজে নিয়োগ প্রদান করবে, যাতে এই জাগরণ ফলপ্রসূ হয়।
তিনি তার দ্বীনি জাগরণ বক্তব্যে আরও বলেন, দ্বীনের দায়িত্ব হচ্ছে বিশ্বে ভাই-ভাই ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করা এবং বিভিন্ন দ্বীনের অনুসারীরাও অন্য দ্বীনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে ও দ্বীন পরিচালনায় নিয়োজিত ব্যক্তি, তার সমস্ত চেষ্টা দিয়ে এটিকে সমুন্নত রাখার চেষ্টা করবে।
তিনি আরও বলেন, মুক্তিদাতা শব্দটির অর্থ হচ্ছে, সমস্যার অবসান ঘটানো এবং আল্লাহর পক্ষ হতে বিশ্ব সমস্যা সমাধানের এটিই একমাত্র পথ। ইব্রাহীমী দ্বীন সমূহ মানুষকে তার আসল মানুষত্বের শিক্ষা প্রদান করে।
তিনি আরও গুরুত্ব দিয়ে বলেন, একক আল্লাহতে বিশ্বাস, মানুষের বিবেকের উপর যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করে। যদিও সেকুলারিজম সমাজেও মানুষ বিবেক ছাড়া জীবন যাপন করতে পারেনা। তবুও মানুষকে শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তুলতে দ্বীনি শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।
ডাঃ রিচার্ডসন অবশেষে বলেন, মানুষের উচিৎ কর্ম ও ভালোবাসার নিয়ম যেন ইব্রাহীমী দ্বীনের ভিত্তিতে গড়ে উঠে। আমরা যেন এর প্রতি ন্যায় পরায়ণতার দায়িত্ব অনুভব করি।
বলা বাহুল্য যে, দুই দিন ব্যপি এই ইসলামী জাগরণ অনুষ্ঠানটি, বিভিন্ন যুগোপযোগী আলোচনার মধ্য দিয়ে গত মে মাসের ১ম তারিখে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।
998347#
captcha