বার্তা সংস্থা ইকনার রিপোর্ট : এ সাক্ষাতে দুই নেতা ন্যামকে কার্যকর করার উপায়সহ বাংলাদেশ ও ইরানের দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ নিয়ে আলোচনা করেন।
এ সময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা এবং অভিন্ন ক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাত অনুষ্ঠানে তিনি ইরান ও বাংলাদেশের প্রাচীন সংস্কৃতি এবং বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ফার্সি ভাষা প্রচলনের কথা উল্লেখ করেন। সর্বোচ্চ নেতা বলেন, গভীর সাংস্কৃতিক বন্ধন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার চমতকার ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করতে পারে।
ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসি, জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যাম এবং ডি-এইট গ্রুপে বাংলাদেশের শক্তিশালী অবস্থানের কথা তুলে ধরে আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেন, ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা এবং পারস্পরিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সব মুসলিম দেশ লাভবান হতে পারে।
তিনি আরো বলেন, পশ্চিমা বলদর্পী শক্তিগুলোর নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার একমাত্র উপায় হলো মুসলিম বিশ্ব ও স্বাধীন দেশগুলোর মধ্যে ঘনিষ্ঠ ঐক্য ও সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা করা। আজ যদি মুসলিম বিশ্বের মধ্যে ঐক্য থাকত তাহলে সিরিয়া ও বাহরাইনে এ চিত্র দেখতে হতো না বলেও উলে।লখ করেন আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী।
এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, অন্য দেশগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে বড় শক্তিগুলোকে প্রতিরোধ করতে হলে স্বাধীন ও মুসলিম দেশগুলোর সুযোগ-সুবিধা এবং সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
শেখ হাসিনা জোর দিয়ে বলেন, ইরানের সঙ্গে নানা ক্ষেত্রে বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সম্পর্ক বাড়াতে চায়।#
(সূত্র : রেডিও তেহরান)