Bdnews24 এর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনার রিপোর্ট : আজ (শনিবার) সকাল ৯টায় জামাত অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলেম মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ।
শনিবার সকাল থেকেই ঈদগাহ ময়দানে দলে দলে মুসল্লিরা আসতে থাকেন। ঈদুল ফিতরের তুলনায় এ জামাতে লোক সমাগম কম হলেও প্রায় দেড় লক্ষাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করেছেন বলে জানিয়েছেন ঈদগাহ পরিচালনা কমিটি।
ঈদ জামাতকে ঘিরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছিল বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মুসল্লিদের সুবিধার্থে এবারো ভৈরব এবং ময়মনসিংহ থেকে দুটি স্পেশাল ট্রেন ছেড়ে আসে সকাল ছয়টায়।
দেশের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও থাইল্যাল্ড, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান থেকে আসা মুসল্লিরা শোলাকিয়া ময়দানে নামাজ আদায় করেছেন। এই ঈদ জামাতে জেলা প্রশাসকসহ সর্বস্তরের গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন। নামাজ শেষে বিশ্ববাসীর শান্তি, সমৃদ্ধি ও মুসলিম উম্মার উন্নতি কামনা করে দোয়া করা হয়।
প্রসঙ্গত, ঈশা খাঁর ষষ্ঠ বংশধর দেওয়ান মান্নান দাদ খান কিশোরগঞ্জের জমিদারি প্রতিষ্ঠার পর ১৮২৮ সালে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পূর্ব প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে প্রায় সাত একর জমির উপর এই ঈদগাহ প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রথম অনুষ্ঠিত জামাতে সোয়া লাখ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন বলে মাঠের নাম হয় ‘সোয়া লাখি মাঠ’। সেখান থেকে উচ্চারণের বিবর্তনে পরিণত হয়ে নাম ধারণ করেছে আজকের ‘শোলাকিয়া’ মাঠে। বিশাল এই মাঠের মধ্যে মোট কাতার রয়েছে ২৬৫টি। প্রতি কাতারে পাঁচ শতাধিক মুসল্লি নামাজ আদায় করে থাকেন।
মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের সুবিধার জন্য ‘শোলাকিয়া স্পেশাল’ নামে দুটি বিশেষ ট্রেন ময়মনসিংহ ও ভৈবর থেকে ভোর বেলায় ছেড়ে আসে। মাঠ ও আশপাশের এলাকায় নেয়া হয় ব্যাপক নিরাপত্তা।
মসনদ-ই-আলা ঈশা খাঁর ষষ্ঠ বংশধর দেওয়ান হয়বত খান বাহাদুর কিশোরগঞ্জের জমিদারি প্রতিষ্ঠার পর ১৮২৮ সালে কিশোরগঞ্জ জেলা শহরের পূর্ব প্রান্তে নরসুন্দা নদীর তীরে প্রায় ৭ একর জমির ওপর এ ঈদগাহ প্রতিষ্ঠা করেন।
স্থানীয় গবেষকদের ভাষ্যমতে, ১৮২৮ সনে প্রথম অনুষ্ঠিত জামাতে সোয়া লাখ মুসুল্লি অংশগ্রহণ করেন বলে মাঠের নাম হয় ‘সোয়া লাখি মাঠ’। সেখান থেকে উচ্চারণের বিবর্তনে তা পরিণত হয়েছে আজকের নাম শোলাকিয়ায়। #