কোরআন বিসয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা’র রিপোর্ট: তিনি আরো বলেন, “কয়েক দিন আগে একটি মার্কিন ড্রোন ইরানের আকাশসীমায় ঢোকার পর আইআরজিসি’র জঙ্গী বিমানের তাড়া খেয়ে তা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। এ রকম ঘটনা যদি ভবিষ্যতে আবারো ঘটে তাহলে ইরান নিজ আকাশসীমা রক্ষা করবে বলে জানান জেনারেল মোহাম্মদ আলী জাফারি।
আইআরজিসি’র বিমান বিভাগের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির আলী হাজিজাদেহ ওই ঘটনা সম্পর্কে বলেন,মার্কিন ড্রোনকে তাড়িয়ে দেয়ার জন্য ইরানি জঙ্গী বিমানগুলো গুলি বর্ষণ করেছে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় খার্গ দ্বীপের তেল ও অর্থনৈতিক বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের মিশন নিয়ে মার্কিন ড্রোন ইরানের আকাশসীমায় ঢুকেছিল বলে তিনি জানান।
এর আগে ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমাদ ওয়াহিদি গত শুক্রবার বলেছেন, “একটি অজ্ঞাত বিমান ইরানের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ করেছিল। কিন্তু ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর সময়োচিত,তড়িত্ ও দৃঢ় পদক্ষেপের ফলে বিমানটি দ্রুত পালিয়ে যায়।
কয়েকদিন আগে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন দাবি করেছে, গত ১ নভেম্বর ইরান উপকূল থেকে পারস্য উপসাগরের ১৬ নটিক্যাল দূরে একটি মার্কিন ড্রোনকে লক্ষ্য করে ইরানের দুই জঙ্গীবিমান গুলিবর্ষণ করে। কিন্তু এসব গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় এবং ড্রোনটি তার ঘাঁটিতে ফিরে যায়।
এর আগে, গত বছর ইরানের আকাশসীমা লঙ্ঘনকারী একটি মার্কিন গোয়েন্দা ড্রোন অক্ষত অবস্থায় মাটিতে নামিয়ে আনে তেহরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ড্রোনটি ফিরিয়ে দেয়ার আহবান জানালেও ইরান তা প্রত্যাখ্যান করে। সূত্র: রেডিও তেহরান