IQNA

এবার ইরানের সম্প্রচার সংস্থার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ

23:30 - January 04, 2013
সংবাদ: 2475129
আন্তর্জাতিক বিভাগ: আমেরিকা নতুন করে ইরানের ওপর আরো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে এবং ইরানের সম্প্রচার সংস্থাকে নতুন এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। বাক-স্বাধীনতা রক্ষার পক্ষে মার্কিন প্রশাসন যখন জোরালো বুলি আওড়াচ্ছে ওয়াশিংটন তখন ইরানি সংবাদ মাধ্যমের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল।

কোরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা’র রিপোর্ট: গতকাল (বুধবার) শেষ বেলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ৬৩ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের যে সামরিক বিলে সই করেছেন তাতে ইরান-বিরোধী নতুন নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ইরান বিরোধী এই বিলে অর্থনৈতিক বিষয়াদিসহ ইরানের সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবি এবং এর প্রধান এজ্জাতুল্লাহ জারগামির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এ ছাড়া, আইআরআইবি'র সম্পদ আটক এবং সংস্থাটির সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যিক লেনদেনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। মূলত ইরানের গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার জন্যই এ পদক্ষেপ নিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

এর আগে, গত ২২ অক্টোবর মার্কিন সরকারের নির্দেশে 'দ্য ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন স্যাটেলাইট অর্গানাইজেশন' বা ইনটেলস্যাট ইউরোপজুড়ে ইরানের বেশ কিছু চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। আমেরিকার ফরেইন অ্যাসেটস কন্ট্রোল বা ওএফএসি'র নির্দেশে ইনটেলস্যাট যে সব ইরানি চ্যানেল বন্ধ করে দিয়েছে সেগুলো হচ্ছে সাহার, জম-ই-জাম, আইআরআইএনএন এবং আল-কাওসার।

এর মাত্র এক সপ্তাহ আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্দেশে স্যাটেলাইট প্রোভাইডার 'ইউটেল-স্যাট এসএ' ইরানের ইংরেজি ভাষার নিউজ চ্যানেল প্রেস টিভিসহ আরো কিছু ইরানি চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয়। গত ১৫ অক্টোবর ইউটেল-স্যাট তার শাখা কোম্পানিকে নির্দেশ দিয়েছে, এটি যেন হট বার্ড স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আর কোনো ইরানি চ্যানেল সম্প্রচার না করে।

এছাড়া, ব্রিটিশ গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা 'অফকম' সে দেশে ইরানের প্রেস টিভির লাইসেন্স বাতিল করেছে। ফলে 'স্কাই' স্যাটেলাইটে প্রেস টিভির সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রেস টিভির পাশাপাশি ইরানের বিশ্ব কার্যক্রমের বেশ কিছু রেডিও চ্যানেলও বন্ধ করে দিয়েছে ইউরোপ।

ইরানের সম্প্রচার সংস্থা বা আইআরআইবি'র উপপ্রধান ও প্রেস টিভির প্রধান নির্বাহী ড. মোহাম্মাদ সারাফরাজ এ সম্পর্কে বলেছেন, "সত্য প্রকাশ হয়ে পড়ার ভয়ে ইরানের স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলোর সম্প্রচার বন্ধ করে দিচ্ছে ইউরোপ।"#রেডিও তেহরান

captcha