‘Press TV’ বরাত দিয়ে কোরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা’র রিপোর্ট: বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং আন্তর্জাতিক বিভাগের বিশ্লেষক ‘ইসমাইল সালামী’র লিখিত প্রবন্ধ রবিবার তথা ১৩ই জানুয়ারিতে প্রেস টিবির সাইটে প্রকাশিত হয়েছে। এই প্রবন্ধে তিনি উল্লেখ করেছেন, যখন আমেরিকা আফগানিস্তানে সোভিয়েত বাহিনীকে বহিষ্কার করতে চেয়েছিল তখনই পাকিস্তানে ধর্মীয় চরমপন্থি দলের সূত্র ঘটে। তখন সৌদি আরবের আর্থিক সহায়তা এবং মার্কিন দ্বারা সুসজ্জিত ISI (পাকিস্তানি গোয়েন্দা বাহিনী) সংগঠিত হয়েছে।
এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নাই যে, ওয়াশিংটন কর্তৃক তালিবান বাহিনী গঠিত হয়েছে এবং সৌদি আরব 09ও ইউনাইটেড কিংডম এজন্য সহযোগিতা করেছে।
পাকিস্তানি গোয়েন্দা বাহিনী সহ অন্যান্য সরকারী সংস্থা এদেশের সরকারের নিকট থেকে ভাতা পেয়ে থাকে এবং এরা চলমান সহিংসতা করণে শিয়া বিরোধী কার্যক্রম করছে।
কারো কারো ধারণা ISI সরকারের সঙ্গে কোন সম্পর্ক নাই এবং নিজের ইচ্ছা মত পাকিস্তানে শিয়া অপসারণ (এদেশে প্রায় এক চতুর্থাংশ শিয়া) কর্ম অব্যাহত রাখছে।
পাকিস্তানে শিয়া বিরোধী সর্বশেষ সহিংসতা বৃহস্পতিবার তথা ১০ জানুয়ারিতে শিয়াদের একটি অঞ্চলে দুটি বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে ১০০ নিহত এবং ২০০ আহত হয়েছে। লস্কর-ই-জাংভি নামক জঙ্গি সংগঠন দল এই হামলার দায়িত্ব নিয়েছে।
সম্প্রতি বোমা বিস্ফোরণের কারণে সহস্রাধিক জনগণ এবং শিয়া পরিবারবর্গ শহীদ হয়েছে। প্রতিবাদকারীরা বলছে, যতক্ষণ পর্যন্ত পাক সরকার সরকার কোয়েটা শহরে সেনা মোতায়েন না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত সন্ত্রাসী বাহিনী তাদের ইচ্ছা মত নিজেদের কর্ম অব্যাহত রাখবে।
গত এক মাস ধরে পাকিস্তানে শিয়াদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১২ সালের শুরুতে এদেশে শতাধিক শিয়া শহীদ হয়েছে।
1171227