IRIB এর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনার রিপোর্ট : ন্যাক্কারজনক ওই সিনেমার পরিচালকসহ সব অভিযুক্তই বর্তমানে আমেরিকায় বসবাস করছেন। গত সেপ্টেম্বরে এ সিনেমা প্রকাশ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সারা বিশ্বে বিশেষ করে মুসলিম বিশ্বে তার ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া হয়েছিল। এ ছবির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ৩০ জনের বেশি মুসলমান প্রাণ দিয়েছিলেন।
ওই অবমাননাকর চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রতিবাদে লিবিয়া ও ইয়েমেনসহ অনেক দেশেই মার্কিন দূতাবাসে হামলা হয়। লিবিয়ার বেনগাজি শহরে বিক্ষোভকারী জনতা মার্কিন দূতাবাসে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং রাষ্ট্রদূতসহ চার মার্কিন নাগরিক নিহত হয়।
এদিকে, ইসলাম বিদ্বেষী এ ছবি নির্মাণে সহযোগিতা করেছে মার্কিন উগ্রবাদী পাদ্রি টেরি জোন্স এবং তাকে এর আগে যে প্রাণদণ্ড দেয়া হয়েছিল আদালত তা কমিয়ে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডে রূপান্তরিত করেছে।
ইসলাম অবমাননার জন্য মিশরের আদালতগুলো সাধারণভাবে সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়। এ ক্ষেত্রে চূড়ান্ত শাস্তি ছিল প্রাণদণ্ড। এরপর তা অনুমোদনের জন্য রাষ্ট্রের শীর্ষ আলেমের কাছে পাঠানো হয়।
এই আলেমের মতামতের ভিত্তিতেই আজ (মঙ্গলবার) আদালত প্রাণদণ্ড বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। অবশ্য মিশরের আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মিশরে ফিরে আসলে তাদের আবার নতুন করে বিচার হবে।#