এই প্রকল্পে অংশগ্রহণকারী ইরাকি শিল্পী ‘হোসাইনুল খোরাসান’ বলেন, এই কোরআন শরীফটি ৫.৫ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ১ মিটার প্রস্থ। ১৩ হাজার মিটারের ৯ টন কাগজ এই কোরআন শরীফ লেখার জন্য ব্যবহার করা হবে।
তিনি আরও জানান, পবিত্র কোরআন শরীফ লেখার দলটি প্রতিদিন ১৫ ঘণ্টার অধিক সময় ব্যায় করছে, যাতে করে এই কোরআন শরীফটির কাজ তাড়াতাড়ি সম্পন্ন হয়। চার সদস্যের এই দলের মধ্যে প্রত্যেকেই নিজেদের কাজ ভাগ করে নিয়েছেন এবং নিজেদের মধ্যে পর্যায়ক্রমে পৃষ্ঠার নকশা, পবিত্র কোরআনের অক্ষর লিপিবদ্ধ করা, হারকাত (জের-জবর-পেশ) দেওয়া এবং খোশনবিশ ও বর্ণ-লেপন করার কাজ ভাগ করে নিয়েছেন।
এই প্রকল্পটি ‘ইসলামী সংস্কৃতির রাজধানী, নাজাফ’ প্রকল্পের সাথে শুরু হওয়ার কথা ছিল কিন্তু ইরাকী প্রধানমন্ত্রী কাউন্সিলারের সিদ্ধান্তে এই প্রকল্পটি স্থগিত করা হয়।
উল্লেখ্য যে, বর্তমানে ইরানি শহর ইস্পাহানের শিল্পী ‘আলী রেজা সত্তারই’র লেখা পবিত্র কোরআন শরীফটি যার দৈর্ঘ্য ১৭০ সেন্টিমিটার এবং প্রস্থ ৪০০ সেন্টিমিটার গীনিস বুকে নথিভুক্ত রয়েছে।
1228588