‘On Islam’ ওয়েবসাইটের বরাত দিয়ে কুরআন বিষয়ক বার্তা সংস্থা ইকনা’র রিপোর্ট: পার্কের নিরাপত্তা কর্মকর্তা এই ভদ্র মহিলা ও তার বন্ধুকে এই পার্কে নামাজ পড়তে নিষেধ করেছে এবং হুমকি দিয়ে বলেছে যে, পরবর্তীতে তারা যেন পার্কে নামাজ না পাড়ে।
আয়ারল্যান্ডের ইন্ডিপেন্ডেট সংবাদ পত্রের সাথে এক সাক্ষাৎকারে মুসলিম ভদ্র মহিলা ‘সাজেদা’ বলেছেন, কোন হট্টগোল এবং ব্যাঘাত ছাড়াই আমারা পার্কে নামাজ পড়ছিলাম। হটাত করে পার্কের নিরাপত্তা কর্মকর্তা বাঁশি বাজিয়ে বলে যে, পার্কে নামাজ পড়ার জন্য তোমারদের নিকট অনুমোদন রয়েছে।
আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনের গিরিফিট পার্কে এ ঘটনাটি গত সপ্তাহের শনিবারে ঘটেছে।
তিন সন্তানের মাতা সাজেদা বলেন, এই ঘটনার কারণে আমি ও আমার বান্ধবী অত্যন্ত বিচলিত। পার্কের নিরাপত্তা কর্মকর্তা আমাদের নামাজ ভাঙ্গতে বাধ্য করেছে। একারণে আমি দৃঢ় ভাবে অপমান বোধ করছি।
এই ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর উক্ত পার্কের কর্মকর্তা মণ্ডলী ঐ নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
পার্ক নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান ‘বিল ব্রাউন’ বলেছেন, আমি মিডল ইস্টে বসবাস করেছি এবং জানি যে, নামাজ পড়া মুসলমানদের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। আমরা আমাদের পার্ক নিরাপত্তা কর্মকর্তার ঐ ব্যবহারে অত্যন্ত লজ্জিত এবং এই কর্মকে নিন্দা জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য যে, আয়ারল্যান্ডের ৪৫ লাখ জনগণের মধ্যে ১.১ শতাংশ অধিবাসী ইসলাম ধর্মের অনুসারী।
২০ বছর পূর্বে আয়ারল্যান্ডে মুসলমানের সংখ্যা প্রায় ৪ হাজার ছিল। কিন্তু ২০১১ সালের জরিপ অনুযায়ী এদেশে মুসলমানের সংখ্যা ৪৯ হাজারেরও অধিক।
1278050