আইআরআইবি’র বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনা: আজ (শুক্রবার) বাদ ফজর ভারতের মাওলানা আবদুর রহমান উর্দুতে এ বয়ান শুরু করেন। আখেরি মোনাজাতের আগ পর্যন্ত তাবলিগ জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় মুরব্বিরা পর্যায়ক্রমে আখলাক, ঈমান ও আমলের ওপর বয়ান করবেন। ১০ জানুয়ারি (রোববার) আখেরি মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হবে ইজতেমার প্রথম ধাপ।
গত বুধবার থেকেই তুরাগতীরে জড়ো হতে থাকেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। তবে ইজতেমায় অংশ নেয়ার জন্য বিদেশি মুসল্লিদের কেউ কেউ দু’একদিন আগেই ইজতেমাস্থলে এসে পৌঁছেছেন।
এদিকে, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ইজতেমা কমিটির সহায়তায় স্থানীয় প্রশাসন মুসল্লিদের সার্বিক নিরাপত্তায় কার্যকর সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
অন্যদিকে চার দিন বিরতির পর ১৫ জানুয়ারি (শুক্রবার) থেকে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে। ১৭ জানুয়ারি দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ২০১৬ সালের বিশ্ব ইজতেমা শেষ হবে।
এদিকে, বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্বে অংশ নেয়া তিন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন বার্ধক্যজনিত কারণে ও একজন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
আজ (শুক্রবার) বাদ ফজর টঙ্গীর তুরাগতীরের ইজতেমাস্থলে এ তিনজনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
টঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার জানান, মৃত তিন ব্যক্তি সিলেট, কুড়িগ্রাম ও নাটোরের বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে সিলেটের জয়নাল আবেদিন (৫৫) গতকাল রাত ১টার কিছু আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। এ ছাড়া রাত পৌনে ৯টার দিকে কুড়িগ্রামের নূরুল ইসলাম (৭২)ও সন্ধ্যায় নাটোরের ফরিদ উদ্দন কবিরাজ (৭২) মারা যান। বার্ধক্যজনিত কারণে এ দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
বাদ ফজর মৃত ব্যক্তিদের জানাজা শেষে লাশ নিজ নিজ এলাকায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও জানান ওসি ফিরোজ তালুকদার।
১৯৬৬ সাল থেকে টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে বলতে গেলে নিয়মিতই ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। মুসল্লিদের চাপ কমাতে ২০১১ সাল থেকে বিশ্ব ইজতেমাকে দুই পর্বে বিভক্ত করা হলে ওই বছরই প্রথম দুই দফায় বিশ্ব ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী বছরগুলোতে এ ধারায় ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।