বার্তা সংস্থা ইকনা: তিনি বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সংকটে যেতে চায় না তেহরান এবং এর কারণ উপলব্ধি করা সৌদি আরবের জন্য কঠিন নয় বলে ইরান বিশ্বাস করে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার চিঠিতে বলেন, আল-কায়েদা, তালেবান, দায়েশ ও আন-নুসরা ফ্রন্টের বেশিরভাগ সন্ত্রাসী হয় সৌদি নাগরিক অথবা সৌদি আরবের তেলের টাকায় মগজ ধোলাই করা অন্য দেশের লোক।
ইরানে সৌদি দূতাবাস ও কনস্যুলেটে হামলা প্রসঙ্গে জারিফ বলেন, তেহরান স্পষ্ট ভাষায় এসব হামলার নিন্দা করছে। সেইসঙ্গে বিদেশি মিশনগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করেছে। এ ছাড়া, এসব হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি ক্ষমতায় আসার প্রথম দিন থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার স্বার্থে তেহরান রিয়াদের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছিল বলে জানান জারিফ। কিন্তু সৌদি কর্মকর্তারা তাতে সাড়া না দিয়ে দফায় দফায় ইরানের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক তৎপরতা চালিয়েছে। ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে যাতে ইরানের পরমাণু সমঝোতা অর্জিত না হয় সেজন্য সৌদি আরব সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েছে এবং এখনো এ সমঝোতা বাস্তবায়নের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করে যাচ্ছে। একইসঙ্গে রিয়াদ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমিয়ে দিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে ‘অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ শুরু করেছে। সূত্র: রেডিও তেহরান
http://iqna.ir/fa/news/3465820