
তিনি আরও বলেছেন, বিশ্বের অন্যান্য বিপ্লবের বিপরীতে ধর্মই ছিল ইরানের ইসলামী বিপ্লবের প্রধান বৈশিষ্ট্য। ইমাম খোমেনীর নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লব বিজয়ী হওয়ায় পশ্চিমাদের এ দাবি অসার হয়ে যায় যে, বিজ্ঞান ধর্মের জায়গাটি দখল করে নিয়েছে। ইমাম খোমেনী বিশ্বের তৃষ্ণার্তদেরকে ধর্মের ঝর্ণায় পরিতৃপ্ত করেছিলেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তেহরানের জুমা নামাজের অস্থায়ী খতিব স্মরণ করিয়ে দেন যে, ইমাম খোমেনীই ছিলেন একমাত্র নেতা যিনি জনগণকে গুরুত্ব দিতেন এবং তাদেরকে ধর্মের রক্ষক বলে উল্লেখ করতেন ও নিজেকে তাদের কাছে ঋণী মনে করতেন।
জনগণ যে অনুভূতি নিয়ে ইসলামী বিপ্লবের বিজয়-বার্ষিকীর মিছিলে এসেছেন সেই একই অনুভূতি নিয়ে তারা সংসদ নির্বাচনেও ভোট দেবেন বলে হুজ্জাতুল ইসলাম কাজেম সিদ্দিকি আশা প্রকাশ করেন।