
তিনি বলেন, এই স্কুল প্রায় দুই বছর যাবত প্রাচীন গ্রন্থ সংগ্রহ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। পবিত্র কুরআন শরীফের প্রাচীন পাণ্ডুলিপি সমূহ পূর্বপুরুষদের নিকট হতে আমারা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছি। এ সকল কুরআন শরীফ বিদেশ বিশেষ করে ইয়েমেন, সৌদি আরব ও ইন্দোনেশিয়া থেকে আমাদের দেশে প্রবেশ করেছে।
লাফজী বলেন: আমরা এ পর্যন্ত যে সকল কুরআন সংগ্রহ করেছি, তার মধ্যে একটি কুরআন শরিফের পাণ্ডুলিপি ১৬৩৪ সালে লেখা হয়েছে। স্থানীয় অধিবাসীদের নিকট কুরআন শরীফের আরও যেসকল প্রাচীন পাণ্ডুলিপি রয়েছে, আমরা সেগুলোও সংগ্রহ করার চেষ্টা করছি।
তিনি আরও বলেন: সংগৃহীত কুরআন শরীফের মধ্যে কিছু সংখ্যক ভালো অবস্থায় রয়েছে এবং কিছু সংখ্যক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসকল কুরআন শরীফের মধ্যে বেশ কিছু কুরআন শরিফ রয়েছে, যেগুলোর সূক্ষ্মতার কারণে শুধুমাত্র গ্লাভস দিয়ে স্পর্শ করা সম্ভব। এ ধরণের কুরআন শরীফগুলো আর্দ্রতা বিহীন স্থানে সংরক্ষিত করতে হবে, যাতে আর্দ্রতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
মুহাম্মাদ লাফজীর ভাষ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত তুরস্কের বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিমার্জিত হয়েছে। বর্তমানে সেগুলোকে উক্ত স্কুলের বিশেষ কক্ষে সংরক্ষণ করা হয়েছে এবং অপর ২৯টি পাণ্ডুলিপির পুন-স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে। পবিত্র কুরআনের পাণ্ডুলিপির পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে, এসকল কুরআন শরিফগুলোর সংস্করণের কাজ প্রায় ৮ মাস থেকে এক বছর সময় লাগে।
লাফজী আশাবাদী, সংগৃহীত এসকল প্রাচীন গ্রন্থ সমূহের আলোকে নির্মিত এই যাদুঘর ইসলামী ঐতিহ্যে পরিণত হবে এবং শুধুমাত্র স্থানীয় মুসলমানেরা নায়, বরং বিশ্বের মুসলমানদের আকৃষ্ট করবে।