IQNA

ঝিনাইদহে হোমিও চিকিৎসক হত্যার দায় স্বীকার করল দায়েশ

22:09 - March 16, 2016
সংবাদ: 2600458
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় হোমিও চিকিৎসক হাফেজ আবদুর রাজ্জাককে হত্যার দায় স্বীকার করেছে উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আইএস বা দায়েশ। জঙ্গি সংগঠনগুলোর তৎপরতা পর্যবেক্ষণকারী মার্কিন সংস্থা ‘সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ’ তাদের ওয়েব পোর্টাল এ দাবি করেছে।
ঝিনাইদহে হোমিও চিকিৎসক হত্যার দায় স্বীদায় কার করল দায়েশ

শাবিস্তানের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনা:  সাইটের ওয়েবসাইটে আজ (মঙ্গলবার) আবদুর রাজ্জাক হত্যাকাণ্ডে আইএসআইএ’র বার্তা স্বীকারের খবর দিয়ে বলা হয়, "বাংলাদেশে খেলাফতের সৈন্যরা ‘মুশরিক ও ধর্মত্যাগী শিয়া’ মতবাদের প্রচারক হাজেজ আবদুর রাজ্জাককে হত্যা করতে সক্ষম হয়েছে।”

তবে, ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, "পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, তিনি (আবদুর রাজ্জাক) সুন্নি মুসলমান ছিলেন। কখনও শিয়া মতবাদ গ্রহণ করেননি।” 

তিনি বলেন, আবদুর রাজ্জাকের ঘরে ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের কাগজ পাওয়া গেছে। তিনি মাঝে মাঝে বিভিন্ন স্থানে ওয়াজ মাহফিল করতেন। এই হত্যাকাণ্ডের কারণ কিংবা জড়িতদের শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।

 

নিহত আবদুর রাজ্জাকের পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, তিনি (আবদুর রাজ্জাক) শিয়া ছিলেন না, তবে ইরানের ইসলামী বিপ্লবের সমর্থক ও মরহুম ইমাম খোমেনীর (রহ.) ভক্ত ছিলেন। 

গতকাল (সোমবার) রাত ১০টার দিকে কালীগঞ্জের নিমতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিজের ওষুধের দোকান ‘ইমাম খোমেনি হোমিও হল’ বন্ধ করে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন হোমিও টিকিৎসক আব্দুর রাজ্জাক। নিজ বাড়ি থেকে সামান্য দুরে গান্না সড়কের কৃষি অফিসের পাশে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে কয়েকজন যুবক তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে আব্দুর রাজ্জাককে বিকেলে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।

এর আগে গত ৭ জানুয়ারি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বেলেখাল বাজারে ধর্মান্তরিত হোমিও চিকিৎসক সমির উদ্দিনকে একইভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। ওই হত্যাকাণ্ডের পরও আইএসের বার্তার খবর দিয়েছিল সাইট।

এছাড়া, গত বছরের ২৬ নভেম্বর বগুড়ার শিবগঞ্জের হরিপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন আল মোস্তফা জামে মসজিদে মুখোশধারী দুর্বৃত্তদের গুলিতে মোয়াজ্জেম হোসেন (৬০) নামে এক শিয়া মুসলিম নিহত হন। তিনি ওই মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন।

একই বছরের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার হোসেনী দালানের ইমামবাড়ায় আশুরার তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির মধ্যে গ্রেনেড হামলায় দুইজন নিহত হন। ইমামবাড়ার ওই ঘটনার পরও সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আইএসআইএল জড়িত বলে দাবি করেছিল ‘সাইট ইন্টিলিজেন্স গ্রুপ’। তবে সরকার বলে আসছে বাংলাদেশে আইএসআইএলের অস্তিত্ব নেই। শাবিস্তানের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা ইকনা:  সাইটের ওয়েবসাইটে আজ (মঙ্গলবার) আবদুর রাজ্জাক হত্যাকাণ্ডে আইএসে’র বার্তা স্বীকারের খবর দিয়ে বলা হয়, "বাংলাদেশে খেলাফতের সৈন্যরা ‘মুশরিক ও ধর্মত্যাগী শিয়া’ মতবাদের প্রচারক হাফেজ আবদুর রাজ্জাককে হত্যা করতে সক্ষম হয়েছে।”

তবে, ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মো. আলতাফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, "পরিবারের সদস্যরা বলেছেন, তিনি (আবদুর রাজ্জাক) সুন্নি মুসলমান ছিলেন। কখনও শিয়া মতবাদ গ্রহণ করেননি।”

তিনি বলেন, আবদুর রাজ্জাকের ঘরে ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের কাগজ পাওয়া গেছে। তিনি মাঝে মাঝে বিভিন্ন স্থানে ওয়াজ মাহফিল করতেন। এই হত্যাকাণ্ডের কারণ কিংবা জড়িতদের শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।

 

নিহত আবদুর রাজ্জাকের পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, তিনি (আবদুর রাজ্জাক) শিয়া ছিলেন না, তবে ইরানের ইসলামী বিপ্লবের সমর্থক ও মরহুম ইমাম খোমেনীর (রহ.) ভক্ত ছিলেন।

গতকাল (সোমবার) রাত ১০টার দিকে কালীগঞ্জের নিমতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিজের ওষুধের দোকান ‘ইমাম খোমেনি হোমিও হল’ বন্ধ করে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন হোমিও চিকিৎসক আব্দুর রাজ্জাক। নিজ বাড়ি থেকে সামান্য দুরে গান্না সড়কের কৃষি অফিসের পাশে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে কয়েকজন যুবক তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মঙ্গলবার দুপুরে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে আব্দুর রাজ্জাককে বিকেলে গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয়।

এর আগে গত ৭ জানুয়ারি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বেলেখাল বাজারে ধর্মান্তরিত হোমিও চিকিৎসক সমির উদ্দিনকে একইভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। ওই হত্যাকাণ্ডের পরও আইএসের বার্তার খবর দিয়েছিল সাইট।

এছাড়া, গত বছরের ২৬ নভেম্বর বগুড়ার শিবগঞ্জের হরিপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন আল মোস্তফা জামে মসজিদে মুখোশধারী দুর্বৃত্তদের গুলিতে মোয়াজ্জেম হোসেন (৬০) নামে এক শিয়া মুসলিম নিহত হন। তিনি ওই মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিলেন।

একই বছরের ২৩ অক্টোবর পুরাণ ঢাকার হোসেনী দালানের ইমামবাড়ায় আশুরার তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির মধ্যে গ্রেনেড হামলায় দুইজন নিহত হন। ইমামবাড়ার ওই ঘটনার পরও সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আইএস জড়িত বলে দাবি করেছিল ‘সাইট ইন্টিলিজেন্স গ্রুপ’। তবে সরকার বলে আসছে বাংলাদেশে আইএসের অস্তিত্ব নেই।
captcha