ইমাম জাফর সাদিক(আ.) বলেছেন, ইমাম
মাহদীর দুটি অন্তর্ধান রয়েছে। প্রথম অন্তর্ধানে শুধুমাত্র বিশেষ বিশ্বস্ত
শিয়ারাই তার বসবাসের স্থান সম্পর্কে জানতেন। আর দ্বিতীয় অন্তধ্যানেও তার
বিশেষ শিয়ারা এবং পরিজনরা ছাড়া কেউই তার বসবাসের স্থান সম্পর্কে জানে না।
ইমাম জাফর সাদিক(আ.) বলেছেন: لِلقائِمِ غَيبَتانِ: إحداهُما قَصيرَةٌ، وَ الاُخرى طَويلَةٌ. الغَيبَةُ الاُولى لا يَعلَمُ بِمَكانِهِ فيها إلّا خاصَّةُ شيعَتِهِ، وَ الاُخرى لا يَعلَمُ بِمَكانِهِ فيها إلّا خاصَّةُ مَواليهِ.
ইমাম মাহদীর দুটি অন্তর্ধান রয়েছে। আর এসময়ে তার বিশেষ শিয়রা এবং পরিবার পরিজনই কেবল তার বসবাসের স্থান সম্পর্কে জ্ঞাত থাকবে।
মোহাক্কেক আরবেলি তার গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন: و الّذينَ يَقولون بِوجوده لا يَقولُون إنّه فى سرداب بَل يَقولون إنّه حَىّ موجود يَحلّ و يرتحل و يَطوف فى الأرض .
শিয়ারা বিশ্বাস করে ইমাম মাহধী(আ.) জীবিত আছেন তিনি কোন গুহায় বসবাস করেন না বরং মানুষের মাঝেই অজ্ঞাত পরিচয়ে জীবন-যাপন করেন।
বহু হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, ইমাম মাহদী(আ.) জনগণের মাঝেই বসবাস করেন কিন্তু তারা তাকে চিনে না এবং জানে না।
মহান আল্লাহর অশেষ কুদরতে হযরত ঈসার(আ.) মত ইমাম মাহদীও জীবিত রয়েছেন এবং আল্লাহর হুকুম হলে যথাসময়ে তিনি আবির্ভূত হবেন এবং পৃথিবীকে ন্যায়নীতিতে পরিপূর্ণ করবেন।