
বার্তা সংস্থা ইকনা: ইরানের পরমাণু সমঝোতার জের ধরে ইরানের ওপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর প্রেসিডেন্ট রুহানির এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এ কারণে এ সফরের ফলে প্রতিবেশী দু’টি দেশের সম্পর্কে আরো অনেক শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ড. রুহানি আজ তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের বলেন, পাকিস্তান ও ইরানের রয়েছে ধর্মীয়, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক অভিন্নতা এবং এ বিষয়টি তেহরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
ওদিকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দু’দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের নিয়মিত সফর বিনিময়ের অংশ হিসেবে ইরানের প্রেসিডেন্টের ইসলামাবাদ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত ১৯ জানুয়ারি উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ তেহরান সফর করেছিলেন।
দু’দিনের সফরে প্রেসিডেন্ট রুহানি তার পাকিস্তানি সমকক্ষ মামনুন হুসাইনের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ ও সেনাপ্রধান জেনারেল রাহিল শরীফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
এসব সাক্ষাতে অন্যান্য বিষয়ের মতো থেমে থাকা ইরান-পাকিস্তান গ্যাস পাইপলাইনের কাজ আবার শুরু করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। ওয়াশিংটন ওই প্রকল্পের বিরোধিতা করলেও তেহরানের ওপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে ইরান।
সর্বশেষ পাওয়া খবরে জানা গেছে, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন প্রেসিডেন্ট রুহানি। পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানিয়েছেন।#
iqna